
মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
হাজীগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে নিহত নাসরিন আক্তারের (১২) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আইন প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার রাতে নিজ বাড়ির কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে এ দিন দুপুরে পৌরসভাধীন ৭নং ওয়ার্ড টোরাগড় গ্রামের আমজাদ আলী বেপারী (এ্যাংগারী) বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে সে মারা যায়।
এদিকে নাসরিনের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবার, এলাকায় ও তার বিদ্যালয়ের সহপাঠীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ সময় তার সহপাঠী ও আত্মীয়-স্বজনের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। নিহত নাসরিন ওই বাড়ির মো. নাজির হোসেনের ছোট মেয়ে এবং টোরাগড় স্বর্ণকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো এদিন দুপুরে নিজ বাড়ির পুকুরে গোসল করতে যায় নাসরিন। কিন্তু সাঁতার না জানায় অসাবধানতাবশত পুকুরের পানিতে ডুবে যায় সে। পরে পুকুরের পানিতে নাসরিন ভেসে উঠলে, তার ভাতিজি দেখতে পায় ডাক-চিৎকার শুরু করে।
তার ডাক-চিৎকারে বাড়ির লোকজন ছুটে এসে নাসরিনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করে। খবর পেয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রফিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. সোয়েব আহমেদ চিশতী বলেন, হাসপাতালে আনার পূর্বেই নাসরিন আক্তারের মৃত্যু হয়েছে।
থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন রনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহত নাসরিনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় তিনি সন্তানদের (শিশু-কিশোর) সাঁতার শেখানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপের কথা বলেন।
