মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
হাজীগঞ্জে এবার মামার বাড়িতে বেড়াতে পুকুরের পানিতে ডুবে লাশ হলো ৩ বছরের শিশু মারওয়া আক্তার জারা। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) সকালে পৌরসভাধীন ১০নং ওয়ার্ড রান্ধুনীমুড়া গ্রামের মজুমদার বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায় সে। নিহত মারওয়া আক্তার জারা কচুয়া উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের বড় বাড়ির মোস্তফা কামালের মেয়ে।
খবর পেয়ে পুলিশ মারওয়া আক্তার জারার মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেয়। পরে নিহত শিশুর দাদা আয়াত আলীর লিখিত আবেদনের ভিত্তিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করে হাজীগঞ্জ থানা পুলিশ।
এর আগে সোমবার বিকালে পৌরসভাধীন ৭নং ওয়ার্ডের বদরপুর গ্রামে মো. ইব্রাহিম মিয়ার মেয়ে ইনতিহা ইসলাম ইভা (৫) নিজ বাড়ির পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায়।
নিহত শিশুর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ নভেম্বর মা ফারজানা বেগমের সাথে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে মারওয়া আক্তার জারা। এদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ও মামা-মামিদের সাথে নাস্তা খেয়ে ঘরেই খেলাধুলা করছিলো সে। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে ঘরে দেখতে না পেয়ে তার মাসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা জারাকে খুঁজতে বের হন।
খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে মারওয়া আক্তার জারাকে নানার বাড়ির পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরিক্ষা শেষে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। এ দিন বিকালে নিহত শিশু জারার জানাযা শেষে গ্রামের বাড়ি কচুয়া উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের বড় বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এস.এম সোয়েব আহমেদ চিশতী জানান, শিশু মারওয়া আক্তার জারাকে হাসপাতালে আমরা মৃত অবস্থায় পেয়েছি। তিনি বলেন, হাজীগঞ্জে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর হার আশঙ্কাজনক। এই শিশুমৃত্যু প্রতিরোধে পারিবারিক সচেতনতার কথা উল্লেখ করেন।
২০ নভেম্বর, ২০২০।
