মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
হাজীগঞ্জ পৌরসভার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে অবৈধ দখলদারদের লিখিত ও মৌখিক নোটিশ দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। নোটিশে অবৈধ দখলদারদের নিজ উদ্যোগে ও স্বেচ্ছায় স্থাপনা অপসারণের জন্য আজ মঙ্গলবার (৭ জুন) সময় বেঁধে দেয়া হয়।
এদিকে বেঁধে দেওয়া সময় শেষ হওয়ার আগের দিন সোমবার (৬ জুন) সরেজমিন পরিদর্শন করে অবৈধ দখলদারদের নিজ উদ্যোগে স্থাপনা অপসারণে মৌখিকভাবে নির্দেশনা প্রদান করেন, হাজীগঞ্জ পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাছান। অন্যথায় পৌর কর্তৃপক্ষ বিধি মোতাবেক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এসময় পৌরসভার প্যানেল মেয়র-১ মোহাম্মদ জাহিদুল আযহার আলম বেপারী, প্যানেল মেয়র-২ মো. আজাদ হোসেন মজুমদার, ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুমন তপদার, ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. শাহআলম, সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মো. ইদ্রিস, সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ ও জনস্বাস্থ্য) মো. মাহবুবুর রহমান, বাজার পরিদর্শক খাজা সাফিউল বাসার রুজমনসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, হাজীগঞ্জ পৌর বিপনি বিতান ও বাস টার্মিনালসহ পৌরসভার নিজস্ব সম্পতিতে বরাদ্দ ছাড়া ও বরাদ্দপত্রে উল্লেখিত অংশের বাহিরে অতিরিক্ত জায়গা (ভূমি) দখল করে বেশ কয়েকজন স্থানীয় ও ব্যবসায়ী দোকান-ঘর নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ব্যবসা করে আসছেন।
এতে ওইসব স্থানে চলাফেরা ও খোলামেলা পরিবেশ রাখাসহ স্বাভাবিক কার্যক্রমের বিঘœ ঘটছে। তাই নিজ উদ্যোগে ও স্বেচ্ছায় অবৈধ দখলকৃত জায়গা থেকে দোকান-ঘর অপসারণে গত ২৩ মে স্থানীয় ও ব্যবসায়ীদের লিখিত নোটিশ প্রদান করে, পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
নোটিশে অবৈধ দখলদারদের স্বেচ্ছায় স্থাপনা অপসারণের জন্য ১৫ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ৭ জুনের (মঙ্গলবার) মধ্যে সকল অবৈধ স্থাপনা অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় পৌর কর্তৃপক্ষ বিধি মোতাবেক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে বেঁধে দেওয়া সময়সীমা শেষ হওয়ার একদিন আগে ৬ জুন (সোমবার) সরেজমিন পরিদর্শন করে স্বেচ্ছায় নিজ নিজ অবৈধ স্থাপনা অপসারণ অনুরোধ জানান পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ ইনামুল হাছান।
এসময় তিনি জানান, যারা অবৈধভাবে দখল করে আছেন, আমরা তাদের লিখিত ও মৌখিকভাবে নোটিশ দিয়েছি। তারা যেন স্বেচ্ছায় ও নিজ উদ্যোগে নিজ নিজ স্থাপনা অপসারণ করে নেন।
তিনি বলেন, আমরা চাই না, আইন প্রয়োগ করে তাদের (দখলদার) শাস্তির আওতায় নিয়ে আসি। কারণ, এতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। আমরা তাদের বুঝিয়ে শুনে এবং সুন্দরভাবে বলে দখলমুক্ত করতে চাই। তাহলে লোকজন সুন্দরভাবে চলাফেরা করতে পারবে।
০৭ জুন, ২০২২।
