
স্টাফ রিপোর্টার
বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী যুক্তরাস্ট্রের মেরিল্যান্ডের কপিন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ন্যানো সায়েন্টিস্ট ড. জামাল উদ্দিন ঘুরে গেলেন চাঁদপুরের তিনটি কলেজ। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি প্রথমে চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজে যান। সেখানকার অডিটরিয়ামে তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করেন কলেজ শিক্ষার্থীরা।
এ সময় কলেজ অধ্যক্ষ মো. মাসুদুর রহমান তাঁকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন। পরে কলেজ অধ্যক্ষর স্বাগত বক্তব্যের পর প্রফেসর জামাল উদ্দিন নিজের ব্যক্তিগত জীবন, শিক্ষা জীবন, আন্তর্জাতিক ন্যানো সায়েন্টিস্ট হওয়ার গল্প শোনান। এসময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরাও তাঁকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন।
সকাল সাড়ে ১১টায় ড. জামাল উদ্দিন যান চাঁদপুর সরকারি কলেজে। তখন চাঁদপুর সরকারি কলেজ অডিটরিয়ামে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিপুল উৎসাহের সাথে বরণ করে নেন। কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর অসিত বরণ দাসসহ শিক্ষকরা তাঁকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন।
অধ্যক্ষের স্বাগত বক্তব্যের পর ড. জামাল উদ্দিন প্রায় এক ঘণ্টা তাঁর যত আবিষ্কার আর অভিজ্ঞতার ভবিষ্যত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।
দুপুর ২টায় তিনি যান হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে। সেখানকার কলেজ অডিটরিয়ামে তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করেন কলেজ অধ্যক্ষ মাসুদ আহমেদ। পরে কলেজ অধ্যক্ষের স্বাগত বক্তব্যের পর শিক্ষার্থীদের তার মতো বিজ্ঞানী হবার স্বপ্ন দেখান জামাল উদ্দিন।
তিনি বলেন, আমি এই হাজীগঞ্জ এলাকার সন্তান। তবে ছোটবেলায় ঢাকায় থেকে লেখাপড়া করে বড় হয়েছি। মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান হয়ে আর স্বপ্ন দেখেছি নিজেকে একটা কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাবার। নিজের চেষ্টায় ‘৯২ সালে স্কলারশীপ নিয়ে জাপান যাই, আর সেখান থেকে আমেরিকা। সেজন্য পড়াশুনা করতে হয়েছে, প্রচুর শ্রম দিতে হয়েছে। তবে একা নয়, সমষ্টিগত পদক্ষেপে আজ ন্যনো সায়েন্স পৃথিবীর অনেক সমস্যা সমাধানে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে। সামনে আমরা করোনাভাইরাস নিয়েও কাজ করবো। অল্প কয়েকদিনের জন্য আমেরিকা ছেড়ে দেশের মাটিতে এসেছি শুধুমাত্র এদেশে ন্যানো টেকনোলজি বিষয়ে একটা গবেষণাগার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। এজন্য দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে কথা শুনবো। কারণ আমি এখন স্বপ্ন দেখি আমার দেশের ছেলে-মেয়েদের জন্য।
