
নারায়ন রবিদাস
ফরিদগঞ্জে এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর গত শুক্রবার ভোরে মামলার প্রধান আসামি ধর্ষক ফয়সাল ভূঁইয়া (২৩) কে কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলা থেকে আটক করে পুলিশ। এর আগে ১৪ আগস্ট রাতে ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে রফিক ভূঁইয়া (২১) কে আটক করেছিলো পুলিশ। এছাড়া ধর্ষিতা কিশোরীকে উদ্ধার করে ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করে এবং সে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ২২ ধারায় জবানবন্দীও প্রদান করে।
অপরদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে রফিক ভূঁইয়াকে আদালতে হাজির করলে সে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। প্রধান আসামি ধর্ষক ফয়সাল ভূঁইয়াকে শুক্রবার সকালে আদালতে প্রেরণ করে পুলিশ।
ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দেইচর গ্রামের কিশোরী গত ১৩ আগস্ট বিকেলে পার্শ্ববর্তী মানিকরাজ গ্রামে তার এক বান্ধবীর সাথে দেখা করতে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে দেইচর গ্রামের এনায়েত ভূঁইয়ার ছেলে ফয়সাল একই বাড়ির মফিজুল হক ভূঁইয়ার ছেলে রফিকের সহযোগিতায় মানিকরাজ গ্রামে অবস্থিত ইউনিয়ন ভূমি অফিসের জন্য নির্মিতব্য ভবনে ডেকে নিয়ে ঐ কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পরদিন ঐ কিশোরীর মা বাদী হয়ে ফয়সালকে প্রধান আসামি করে ফরিদগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা (নং-১৭, তাং ১৪/০৮/১৯) দায়ের করেন। এরপর পুলিশ ঐ কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বুধবার রাতেই ধর্ষণে সহযোগিতার অভিযোগে রফিক ভূঁইয়াকে আটক করে পুলিশ। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সুমন্ত মজুমদার শুক্রবার ভোরে কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলা থেকে প্রধান আসামি ধর্ষক ফয়সাল ভূঁইয়াকে আটক করতে সক্ষম হয়।
অপরদিকে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার দুপুরে ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন করার পর সে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ২২ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করে। এছাড়া আটক রফিক ভূঁইয়াকে আদালতে হাজির করলে সে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করার পর আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
২০ আগস্ট, ২০১৯।
