কিশোর গ্যাং দমনসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে
স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে আসামি গ্রেফতার ও কিশোর গ্যাং দমনসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে ব্যাপক তৎপরতা দেখা গেছে। সদর মডেল থানার এ কার্যক্রমে চাঁদপুর শহরে জনমনে ব্যাপক স্বস্তি দেখা দিয়েছে।
চলতি বছরের জুন থেকে নভেম্বরের আজ পর্যন্ত গত ৬ মাসে গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলে সহস্রাধিক আসামি আটক করা হয়েছে। এসব মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দেড় শতাধিক আসামিকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত। সদর মডেল থানার এই চলমান কার্যক্রমে সদর উপজেলার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে বিভিন্ন পাড়া মহল্লা সূত্রে জানা যায়। এদিকে পুলিশ সুপার মো. মাহাবুবুর রহমান চাঁদপুরে যোগদানের পর পরই তিনি বেশ কিছু পদক্ষেপ হাতে নেন। এর মধ্যে জেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সব ধরনের অপরাধ নির্মূলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না মর্মে জেলার সকল পুলিশ অফিসার এবং উপজেলার থানার অফিসার ইনচার্জদের কঠোর হুঁশিয়ারি করে নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
সেই লক্ষ্যে চাঁদপুর মডেল থানা ও অন্যান্য উপজেলা পুলিশ প্রশাসন আন্তরিক হয়ে কাজ করছেন। একই সাথে অপরাধ নির্মূল করতে কিশোর গ্যাং চক্র দমনে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন সদর মডেল থানা। প্রায় প্রতিদিনই শহরের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় অফিসার ইনচার্জ মো. নাসিম উদ্দিন অন্যান্য অফিসারদের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে চলেছেন। এতে করে অনেকটাই স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে পারছেন শহরবাসী।
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. নাসিম উদ্দিন জানান, পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আমরা সদর উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় মাদক, জঙ্গিবাদ, ইভটিজিং, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও কিশোর গ্যাং দমনসহ সব ধরনের অপরাধ নির্মূল করতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। গত ৬ মাসে গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলে বিভিন্ন অপরাধে সহস্রাধিক আসামিকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া দেড় শতাধিক সাজাপ্রাপ্ত হিসেবে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আমাদের এ ধারাবহিকতা অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হারুনুর রশিদ জানান, সদর মডেল থানা সর্বদা জনগনের জানমালের নিরাপত্তায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আমরা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের সবটুকু সব ধরনের অপরাধ এবং অপরাধিদের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করছি এবং করবো।
