ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় প্রশাসনের ব্যাপক প্রস্তুতি

স্টাফ রিপোর্টার
ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর প্রভাবের কারণে শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ৬নম্বর সতর্কতা সংকেত থাকলেও এরপরে চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপাশি ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী ও চাঁদপুরসহ এর আশপাশের দ্বীপ এবং চরাঞ্চলগুলোতেও। যার ফলে চাঁদপুরের জেলা প্রশাসনও তৎপর হয়ে উঠে।
আবহাওয়া অফিসের শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বাংলাদেশের মোংলা বন্দর থেকে ২৪০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
গতকাল শনিবার শহরের বড় স্টেশন মোলেহড ত্রিনদীর মোহনায় দেখাগেছে মেঘনার পশ্চিম পাড় থেকে কিছু মালবাহী ও যাত্রীবাহী ট্রলার নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চলাচল করছে। তবে লাইটার জাহাজগুলো লঞ্চঘাট এলাকায় নোঙর করে রাখা হয়েছে। নিরাপদে রাখা হয়েছে মাছ ধরার বড় বড় ট্রলার।
চাঁদপুর লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখাগেছে সিডিউলের লঞ্চঘুলোর অধিকাংশ যাত্রীবাহী লঞ্চ চাঁদপুর লঞ্চঘাটের পন্টুনের সাথে নোঙর করে রাখা হয়েছে। লঞ্চঘাটের যাত্রী প্রবেশের টিকিট কাউন্টার বন্ধ। কিছু যাত্রী না জেনে ঘাটে এসে উপস্থিত হয়েছেন।
লঞ্চঘাটে নৌ-পুলিশ ও ধমকল বাহিনীর সদস্যদের মাইকিং করে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে কাজ করতে দেখাগেছে। সকাল থেকেই থেমে থেমে শহরে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত চাঁদপুরের কোথায়ও কোন ধরনের দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
তবে চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর সম্ভাব্য ক্ষতির আশঙ্কা মোকাবেলায় নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাতো আছেনই। সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এবং বলগেট, ড্রেজার ইত্যাদি ছোট নৌযানগুলোকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। বিভিন্ন চরাঞ্চলে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।