মতলব উত্তরে দু’জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা, আটক ১

সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদাবাজি

মনিরুল ইসলাম মনির
মতলব উত্তরে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে জনতার রোষাণলে পরে ২ কথিত সাংবাদিক। গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে আজিজুলকে জনতা। ঘটনাটি উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের সরদারকান্দি গ্রামে। আটক উত্তর সরদারকান্দি গ্রামের জাকির বেপারির ছেলে আজিজুল (২৬)। উত্তর সরদারকান্দি গ্রামের মৃত মুকবিল প্রধানের ছেলে মোক্তার হোসেন (৩০) পালিয়ে রক্ষা পায়। সোমবার (৭ ডিসেম্বর) এ ঘটনা ঘটে, রাতে সেলিনা বেগম বাদী হয়ে মতলব উত্তর থানায় আজিজুল ও মোক্তারকে আসামি করে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুয়া সাংবাদিক মোক্তার ও আজিজুল দীর্ঘদিন ধরে সেলিনা বেগমের স্বামী লিটন মোল্লার কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিল। লিটন মোল্লা মাদকসেবনকারী বলে ছবি পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেলে মানহানি করবে বলে। ৫ ডিসেম্বর ওই দুই ভুয়া সাংবাদিক লিটন মোল্লার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করে, মান সম্মান রক্ষার্থে চাপে পরে মোক্তার ও আজিজুলকে ৬ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়। বাকি ১৪ হাজার টাকা দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। ওই টাকা লিটন মোল্লা দিতে অস্বীকার করলে মোক্তার ও আজিজুল এলোপাথারি কিল-ঘুষি মারিয়া হাতে পায়ে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জখম করে।
৭ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ভুয়া সাংবাদিক মোক্তার ও আজিজুল লিটন মোল্লাকে আবারো টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। তার কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। আরো ১০ হাজার টাকা দেয়ার জন্য তর্ক শুরু করে। বিষয়টি স্থানীয়রা জানতে পেরে মোক্তার ও আজিজুলকে আটক করে গণধোলাই দেয়। মোক্তার কৌশলে স্থান ত্যাগ করে। স্থানীয়রা ‘৯৯৯’ নম্বরে কল দিয়ে পুলিশকে জানালে তাৎক্ষণিক পুলিশ আজিজুলকে উদ্ধার করে।
মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ নাসির উদ্দিন মৃধা বলেন, ঘটনাটি জানার পর তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠিয়েছি। দুইজনকে আসামি করে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক আজিজুলকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অন্যজনকে আটকের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।
১০ ডিসেম্বর, ২০২০।