মতলব উত্তরে মায়া চৌধুরীকে গণসংবর্ধনা

তৃণমূলকে সংগঠিত করতে দক্ষ, পরিশ্রমী, জনসম্পৃক্ত নেতাদের গুরুত্ব দিতে হবে………মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম

মতলব উত্তর ব্যুরো
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত থাকতে হবে। তৃণমূলকে সংগঠিত করতে দক্ষ, পরিশ্রমী, জনসম্পৃক্তদের গুরুত্ব দিতে হবে।
মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম এসব কথা বলেন।
মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ছেংগারচর মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য, সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রমকে গণসংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামে স্থান পাওয়া মোফাজ্জল হোসেন মায়া চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের বিশ্বস্ত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের সম্মান দিতে জানেন। এ কাজে তিনি কখনো পিছপা হবো না।
তিনি আরো বলেন, আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য করায় জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার মতো একজন রাজপথের কর্মীকে তিনি উচ্চাসন দিয়েছেন।
মায়া চৌধুরী আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলেন কর্মীদের নেতা। বিশ্বস্ত ও ত্যাগী কর্মীদের যে তিনি সম্মান দেন তার জ্বলন্ত প্রমাণ আমি। সেজন্য আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি। আজ আমার এই জায়গায় আসার পেছনে সবারই অনেক অবদান রয়েছে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে একটানা জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় থাকায় সাংগঠনিকভাবে আওয়ামী লীগ আরো শক্তিশালী হয়েছে। আগামি জাতীয় নির্বাচনের আগেই দল আরো পরিশুদ্ধ ও শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে, ইনশাআল্লাহ।
মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম আরো বলেন, মতলবের আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী করতে হবে। সব অপশক্তির বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে। যারা দুর্দিনে দলের জন্য এবং আমার পরিবারের জন্য কাজ করেছেন, আমি তাদের কথা মনে রাখবো। এসময় তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান।
মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ অ্যাড. রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুসের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ নাছির উদ্দিন আহমেদ ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ওচমান গনি পাটোয়ারী, চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইঞ্জি. আব্দুর রব ভূঁইয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সদস্য সাজেদুল হোসেন চৌধুরী দীপু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গিয়াসউদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী গাজী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহ্বায়ক মিয়া মো. জাহাঙ্গীর আলম, ছেংগারচর পৌরসভার মেয়র আলহাজ রফিকুল আলম জজ, ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মনির হোসেন বেপারী, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী শরীফ হোসেন প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আসফাক চৌধুরী মাহী, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ আখন্দ, অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. রুহুল আমিন সরকার, দপ্তর সম্পাদক শাহ আলম, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম মিয়াজী, সদস্য গাজী মাইনুদ্দিন, মতলব দক্ষিণ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লিয়াকত আলী, সাধারণ সম্পাদক বিএইচএম কবির আহমেদ, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর আকাশ কুমার ভৌমিক, জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান ভূঁইয়া কালু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি অ্যাড. জসিম উদ্দিন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারভেজ করিম বাবু, মতলব দক্ষিণ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল মোস্তফা তালুকদার, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শহীদ উল্লাহ প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম হাওলাদার, গাজী ইলিয়াছুর রহমান, শাহজাহান প্রধান, সদস্য ও মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক চৌধুরী বাবুল, ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজমল হোসেন চৌধুরী, সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোমেন দানেশ, সদস্য গাজী মুক্তার হোসেন, কলাকান্দা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুস সোবহান সরকার শুভা, সদস্য অ্যাড. সেলিম মিয়া, জেলা পরিষদের সদস্য আল আমিন ফরাজী, মতলব উত্তর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মিনহাজ উদ্দিন খান, যুগ্ম-আহ্বায়ক তামজিদ সরকার রিয়াদসহ আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২।