হাইমচরে প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেয়ে পরিবারগুলো পেয়েছে বেঁচে থাকার অফুরন্ত স্বাধ

সাহেদ হোসেন দিপু
হাইমচর উপজেলার নীলকমল ও হাইমচর ইউনিয়নে সবুজ প্রকৃতির মাঝে উঁকি দিচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লাল সবুজের ঘর। গৃহহীন ও ভূমিহীন ৪০টি পরিবার পেয়েছে স্বপ্নের ঠিকানা, পেয়েছেন বেঁচে থাকার অফুরন্ত স্বাধ, তার সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে সামাজিকতা মর্যাদা।
মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে হাইমচর উপজেলার নীলকমল ও হাইমচর ইউনিয়নে ১ম ও ২য় পর্যায়ে ঘর ও জমি পেয়েছে ৪০টি পরিবার। ঐ ঘরে পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দের সাথে বসবাস করে আসছেন ঐ পরিবারগুলো।
গত মঙ্গলবার নীলকমল ইউনিয়নে গিয়ে সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, আধাপাকা ঘরগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে নীল রঙের টিনে। দুই কক্ষ বিশিষ্ট এসব ঘরে রয়েছে একটি রান্নাঘর, শৌচাগার। বরাদ্দপ্রাপ্ত লোকজন নিজের মত করে ঘর সাজিয়ে নিয়েছেন।
উপকারভোগী ফারুক গাজি তার ২ মেয়ে ও মা, বাবাকে সাথে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার ঘরে বসবাস করছেন। তিনি ঘর পেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমি নদীর ভাঙনের ফলে ভিটে-মাটি হারিয়ে বৃদ্ধ বাবা-মাকে সাথে নিয়ে ভাড়া জায়গায় কোনরকম ঘর উঠিয়ে থাকতাম। ঘরের ছাল দিয়ে বর্ষার সময় পানি পড়তো। তখন মনবেতর জীবযাপন করেছি। এখন জমিনসহ ঘর পেয়ে সম্মানের সাথে নিজ ঘরে পরিবার-পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছি। এটা আমার সবচাইতে বড় পাওয়া। আমি এখন জমিনসহ একটি ঘরের মালিক।
ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরদার জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিব বর্ষ উপলক্ষে আমার ইউনিয়নে ২০টি আধাপাকা ঘর দিয়েছেন। ঘর নির্মাণ কমিটির মাধ্যমে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ঘরগুলোর কাজ সম্পন্ন করে একেবারেই অসহায় ২০ পরিবারকে জমিন সহ ঘর বুঝিয়ে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। ঐ ঘরেই তারা আনন্দের সাথে বসবাস করছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই এ মহতি উদ্যোগের জন্য।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার চাইথোয়াইহলা চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিব বর্ষ উপলক্ষে হাইমচরে ১ম ও ২য় পর্যায়ে ৪০টি পরিবারকে জমিনসহ ঘর দিয়েছেন। আমরা ঘরগুলো নির্মাণ শেষে যাচাই-বাছাই করে সুবিদাভোগীরেদর মাঝে হস্তান্তর করেছি। তারা এখন ঘরগুলোতে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞ, প্রধানমন্ত্রীর কারণে হাইমচরের ৪০টি পরিবার নিজ নামে জমিনসহ ঘর পেয়ে মাথা উঁচু করে জীবন-যাপন করতে পারছে।
০৪ আগস্ট, ২০২১।