হাইমচরে মেঘনার জোয়ারে পানিতে ভাসছে প্রায় ২ সহস্রাধিক পরিবার

সাহেদ হোসেন দিপু
মেঘনা তীরবর্তী অঞ্চল চাঁদপুরের অন্যতম উপজেলা হাইমচর। প্রতি বছরই বর্ষার সময় বৃষ্টির পানিতে থই-থই করে সমগ্র উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল। তার মধ্যে মেঘনার জোয়ারে প্লাবিত হয় নদী তীরবর্তী নিচু গ্রামগুলো। ডুবে যায় শত-শত মানুষের চলাচলের রাস্তাসহ বসতঘর।
এবছর মেঘনার জোয়ারের কারণে নদী তীরবর্তী অঞ্চলের বাড়ি-ঘরসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে চলচলের রাস্তাও ডুবে গিয়েছে পানিতে। একদিকে মহামারী করোনার ভয়াল থাবা, অন্যদিকে মেঘনার জোয়ার। উভয় সঙ্কটে পড়ে গরিব, দুঃখী, অসহায়, কর্মহীন, দিনমজুর পরিবারগুলো পড়েছে বিপাকে।
গত মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে মেঘনায় জোয়ারে হাইমচর উপজেলার লামচরী, মহজমপুর, কৃষ্ণপুর, চরভাঙ্গা, পাড়াবগুলাসহ বিভিন্ন গ্রামের ২ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এতে বসতবাড়ি তলিয়ে যাওয়ায় গৃহপালিত পশু হাস-মুরগী, গরু-ছাগল নিয়ে যেমনি বিপাকে তেমনি ফসলের মাঠ নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন চাষিরা। সকাল ৭ পর্যন্ত পানি বাড়লেও সাড়ে ৮টা থেকে ভাটায় পানি কমতে থাকে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, গত দু’দিন যাবৎ পানির চাপ কম থাকলেও মঙ্গল ও বুধবার বিকেলের দিকে পানির চাপ দিগুণ বাড়তে পারে।
হাইমচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নূর হোসেন পাটওয়ারী বলেন, মেঘনার জোয়ারে তলিয় যাওয়া এলাকা পরিদর্শন ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজ নিতে ইতোমধ্যে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে। উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সহযোগিতা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছে একদল স্বেচ্ছাসেবক টীম।
তিনি আরও বলেন, পানিবন্দি এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই পানি নিষ্কাশন করে জলাবদ্ধতা নিরসন করা হবে।
০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১।