ঈশানবালায় ঢাকা ফেরত কিশোরীর করোনা সনাক্ত, বাড়ি লকডাউন

স্টাফ রিপোর্টার
হাইমচর উপজেলার নীলকমল ইউনিয়নের ঈশানবালা এলাকার এক স্বাস্থ্য সহকারীর পরিবারের ৪ জনের করোনা পরীক্ষায় ১ কিশোরীর করোনা সনাক্ত হয়েছে। করোনা সনাক্ত হওয়ার সংবাদ পেয়ে প্রশাসনের পক্ষ হতে আক্রান্ত শিশুর বাড়িসহ প্রতিবেশী ২ বাড়িতে লাল পতাকা টানানো হয়েছে।
করোনা সনাক্ত হওয়া কিশোরী, তার মা ও ভাইসহ পরিবারের ৪ জন ঢাকার সাভারের আমিন বাজার এলাকা হতে এসে কিশোরী তার নানার বাড়িতে অবস্থান করছে।
হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. বেলায়েত হোসেন করোনা সনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আরো জানান, ঈশানবালায় একজন স্বাস্থ্য সহকারীর করোনা উপসর্গ দেখা দেয়ায় গত ১৫ এপ্রিল তাদের পরিবারের সবার করোনা পরীক্ষার স্যাম্পল কালেকশন করা হয়। সোমবার (২০ এপ্রিল) রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এতে ১২ বছরের এক কিশোরীর করোনা পজেটিভ এসেছে।
স্বাস্থ্য সহকারী এ প্রতিনিধিকে জানান, তার ভাগ্নির করোনা সনাক্ত হয়েছে। তার ভাগ্নী, ভাগিনা ও বোনসহ ঢাকার আমিন বাজার এলাকা হতে গত ২০ মার্চ তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। তাদের আসার কয়েক দিন পর তিনি নিজে এবং তার স্ত্রী, ভাগিনা ও ভাগ্নি জ্বরে আক্রান্ত হন। প্রাথমিক চিকিৎসায় জ্বর না কমায় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা গত ১৫ এপ্রিল তাদের করোনা স্যাম্পল কালেকশন করেন। সোমবার তার ভাগ্নির পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের রিপোর্ট নেগেটিভ।
স্বাস্থ্য সহকারী আরো জানান, করোনা সনাক্ত হলেও তার ভাগ্নি বর্তমানে স্বাভাবিক ও সুস্থ রয়েছে। তবুও তার ভাগ্নিকে আলাদা ঘরে আলাদা বিছানা দেয়াসহ সম্পূর্ণ আলাদা করে রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, তার পরিবারে অন্যান্য সবাই এখন সুস্থ আছেন। অসুস্থ অবস্থায় তার ভাগ্নি বাড়ির বাইরে একদিন বাজারে গিয়েছেন বলে জানান তিনি, অন্যরা কেউ বাড়ির বাইরে যায়নি।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন সরদার জানান, করোনা সনাক্ত পরিবারের বাড়িতে প্রশাসনের সিদ্ধান্তে লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
হাইমচর উপজেলরি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাউল আলম ভূঁইয়া বলেন, করোনা সনাক্তের বাড়িসহ পার্শ¦বর্তী ২টি বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। আক্রান্ত পরিবারের নিরাপত্তাসহ তাদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ হতে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।

২০ এপ্রিল, ২০২০।