এম. সাইফুল মিজান
কচুয়া উপজেলার শিলাস্থান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২০৫ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান চলছে মাত্র দু’জন শিক্ষক দিয়ে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
বিদ্যালয় থেকে উপজেলা শিক্ষা কার্যালয়ের দূরত্ব প্রায় ২০ কিলোমিটার। দাপ্তরিক কাজে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দিন শিক্ষা কার্যালয়ে যেতে হলে ওই দিন সহকারী শিক্ষক ফাতেমা হককে একাই শিশু শ্রেণিসহ ছয়টি শ্রেণির পাঠদান করাতে হয়।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংখ্যা ৫ জন। তার মধ্যে ২ জন শিক্ষক ডিপিএড প্রশিক্ষণে ও উপজেলা রিসোর্স সেন্টারে ১ জন প্রশিক্ষণে আছেন। বর্তমানে আমি ও এক সহকারী শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান পরিচালনা করে আসছি।
বিদ্যালয়ের কয়েকজন অভিভাবক বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দাপ্তরিক কাজে উপজেলা কার্যালয়ে গেলে শিশু শ্রেণিসহ ছয়টি ক্লাস শিক্ষক ফাতেমা হককে একা সামলাতে হয়। যে শ্রেণিতে তিনি ক্লাস নেন, সেই শ্রেণি ছাড়া অপর শ্রেণিগুলোতে চলে শিক্ষার্থীদের চিৎকার চেঁচামেচি। ফলে শিক্ষার পরিবেশ ও পড়ালেখার ব্যাপক ক্ষতি হয়। বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট থাকলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ না নেয়ায় অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার এএইচ শাহরিয়ার রসূল বলেন, শিক্ষক সঙ্কটের কথা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই সঙ্কটের অবসান হবে।
২১ মার্চ, ২০২২।
