চাঁদপুর-কক্সবাজার বিআরটিসি এসি বাসের উদ্বোধন

শাহ্ আলম খান
চাঁদপুর থেকে কক্সবাজার এসি বাসে যাওয়ার সরাসরি সুযোগ করে দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন (বিআরটিসি) কর্তৃপক্ষ। বিআরটিসির এসি বাসে চাঁদপুর থেকে কক্সবাজার যেতে সময় লাগবে ৮ ঘণ্টা। আর এজন্য একজন যাত্রীকে ভাড়া দিতে হবে ৭শ’ টাকা মাত্র। বুধবার (০২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে চাঁদপুর টু কক্সবাজার রুটে বিআরটিসির ৪৫ সিটের এসি বাসের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অসীম চন্দ্র বনিক।
চাঁদপুর থেকে কক্সবাজার এই প্রথম বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন (বিআরটিসি) ৪৫ সিটের এসি বাস চালু করেন কর্তৃপক্ষ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিসি কুমিল্লা বাস ডিপো ম্যানাজার (অপারেশন) মো. কামরুজ্জামান এবং চাঁদপুরের স্ট্যান্ড পরিচালক মেহেদী হাসান রাব্বি ও সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস খানসহ শুভাকাক্সক্ষী-কর্মচারীবৃন্দ।
বিআরটিসি এসি বাস সার্ভিস চালু হওয়ার কারণে চাঁদপুর থেকে কক্সবাজারে ভ্রমণপিপাসুদের আসা-যাওয়া অনেক বেড়ে যাবে বলে ধারণা করেন কর্তৃপক্ষ ও উপস্থিত সাধারণ মানুষ।
বিআরটিসি বাস চাঁদপুরের দায়িত্বরত পরিচালক মেহেদী হাসান রাব্বি বলেন, চাঁদপুরবাসীর কক্সবাজার ভ্রমণ অনেক সহজ ও সময় সাশ্রয়ী এবং আরামদায়ক হবে আশা করি।
তিনি আরো বলেন, প্রতিদিন রাত ৮টায় চাঁদপুরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা বর্তমানে মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড থেকে একটি বাস কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। চট্টগ্রামে যাত্রা বিরতি দিয়ে এটি ভোরে কক্সবাজার গিয়ে পৌঁছবে, ইনশাআল্লাহ্। অপরদিকে প্রতিদিন দুপুর সাড়ে ১২টায় কক্সবাজার থেকে একটি বাস চাঁদপুরের উদ্দেশে ছেড়ে আসবে। চট্টগ্রামে যাত্রা বিরতি দিয়ে বাসটি রাতে চাঁদপুর এসে পৌঁছাবে।
চাঁদপুর কাউন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফেরদৌস খান বলেন, বিআরটিসি ৪৫ সিটের এসি বাস সার্ভিসের জন্য জনপ্রতি যাওয়া-আসা একবারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৭শ’ টাকা মাত্র। চাঁদপুর থেকে কক্সবাজার যেতে ও সেখান থেকে চাঁদপুর আসতে ৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। টিকেটের বিষয়ে জানার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করার সুযোগ রয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর-পরই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অসীম চন্দ্র বনিক ও বিআরটিসি’র কুমিল্লা বাস ডিপো ম্যানাজার (অপারেশন) মো. কামরুজ্জামানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। পরে বাসের সিটে বসে অতিথিদের নিয়ে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাও. আব্দুর রহমান।
০৩ ডিসেম্বর, ২০২০।