স্টাফ রিপোর্টার
মা ইলিশ রক্ষায় ১০তম দিনে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় ১ কোটি ৪০ লাখ মিটার কারেন্ট জাল, ৫টি নৌকা, ৮০ কেজি ইলিশসহ ২২ জেলেকে আটক করেছে চাঁদপুর নৌ-থানা পুলিশ। বুধবার (১৩ অক্টোবর) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দিনব্যাপী অভিযানে সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের শিলারচর, লগ্মিমারাচর, মিনি কক্সবাজার, পুরাণবাজারের রওনাগোয়ালসহ পদ্মা-মেঘনা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আটকরা হলেন- মতলব উত্তর উপজেলার মো. শাহজাহান সরদার, আবু বক্কর, জাহাঙ্গীর প্রধানিয়া, সুজন প্রধানিয়া, জহির পন্ডিত, শিমুল বেপারী, মো. মমিন আলী গাজী, শহরের নিশি বিল্ডিং এলাকার আলামিন মোল্লা, মো. রাকিব হোসেন, শরীয়তপুর জেলার মো. রবিউল হোসেন, মজিবুর রহমান গাজী, মো. আশ্বাদ খান, মো. সাইফুল ইসলাম, নছর গাজী, হারুন গাজী, আব্দুল কাদের ছৈয়াল, নাসির গাজী, মো. মাইনুদ্দিন, মো. হৃদয়, হযরত আলী গাজী, আনোয়ার হোসেন, আবুল কালাম।
নৌ থানা পুলিশ জানায়, চাঁদপুর নৌ-পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামানের নির্দেশে নৌ থানার ওসি মো. মুজাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে চাঁদপুরের পদ্মা মেঘনার নৌ সীমানায় ১০ তম দিনে অভিযান পরিচালনা করে ১ কোটি ৪০ লাখ মিটার কারেন্ট জালসহ ২০ জেলেকে আটক করা হয়। এছাড়া ৫টি জেলে নৌকা ও ৮০ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। এছাড়া ১২টি নৌকা নদীতে ডুবিয়ে দেয়া হয়। জব্দকৃত ইলিশ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়। আর জব্দকৃত জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
চাঁদপুর নৌ থানার ওসি মো. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে চাঁদপুরের পদ্মা মেঘনায় জেলেরা যাতে নদীতে মাছ শিকার করতে না পারে সেজন্য নৌ থানা পুলিশ কাজ করছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আটকদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
উল্লেখ্য, ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন ইলিশ প্রজনন ক্ষেত্রে ইলিশসহ সব ধরনের মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
১৪ অক্টোবর, ২০২১।
