স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর পৌর এলাকায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় জনসমাগম রোধে ৪টি বাজার স্থানান্তরিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে ও পৌরসভার সহযোগিতায় এ বাজারগুলো স্থানান্তরিত করা হয়।
গত মঙ্গলবার ও বুধবার সরজমিনে বাজারগুলো ঘুরে দেখা যায়, বাবুরহাট বাজারটি কলেজ মাঠে এবং পাল বাজার পৌর ঈদগা মাঠে স্থানান্তরিত করার প্রক্রিয়া চলছে। তবে ওয়ারলেস বাজার গাছতলা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এবং বিপণীবাগ বাজার চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠে নিতে ধীরগতি দেখা যায়।
এ ব্যাপারে পালবাজারের ইজারাদার ব্রজ গোপাল পাল ও বাজার কর্তৃপক্ষ হারুন পাটওয়ারী, বাবুরহাট বাজারের ইজারাদার মো. হোসেন শেখ জানান, জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার নির্দেশেই বাজারগুলো স্থানান্তরিত করা হয়েছে। মাঠে সবজি, মাছ ও মাংসের বাজার বসছে। প্রতিটি বাজার সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত রেখে করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত এই বাজার এভাবেই চলবে।
চাঁদপুর পৌরসভার সচিব আবুল কালাম জানান, আমাদের পৌর এলাকার প্রধান ৪টি বাজার স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পৌরসভার মেয়রের নির্দেশে বাজার সুশৃঙ্খল রাখতে সব রকমের সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে ভ্রাম্যমাণ বাজারগুলো এখনো সড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে আগের মত দেখা গেছে। তবে আড়তদারদের স্থানান্তরিত বাজারের আওতায় নেয়া হয়নি। এ ব্যাপারে জেলা বাজার কর্মকর্তা এন এম রেজাউল ইসলাম জানান, বাজার তদারকিতে সার্বক্ষণিক জেলা প্রশাসন, পুলিশ বিভাগ ও মার্কেটিং বিভাগের প্রতিনিধি থাকবে।
স্থানান্তরিত বাজারগুলো রমজান মাস পর্যন্ত একইভাবে থাকবে। প্রতিদিন ভোর ৬টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বাজার কার্যক্রম চলবে। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান জানান, আমরা এখন পর্যন্ত শুধু শহরের সবজি বাজার, মাছ বাজার ও মাংসের বাজারগুলো স্থানান্তরিত করেছি।
বাজারের আড়তদার ও মুদী দোকানগুলো তাদের অবস্থানেই থাকবে। ভ্রাম্যমাণ বাজারগুলো সড়কের উপরে থাকতে পারবে না। প্রয়োজনে অলিতে-গলিতে সড়ক ছেড়ে ভিন্ন খোলা জায়গায় বসবে। মূলত গণজামায়েতরোধে বাজারগুলো নিয়ে স্থানান্তরের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
২২ এপ্রিল, ২০২০।
