সজীব খান
চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে বর্তমান কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান আবারো প্রার্থী হচ্ছেন বলে বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন। দলের প্রয়োজনে ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দাবি ও মতামতের ভিত্তিতে তিনি ফের সভাপতি হচ্ছেন। আগামি ৬ ডিসেম্বর ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন শান্তিপূর্ণ ও সুন্দরভাবে শেষ করার জন্য প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছেন।
নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান আওয়ামী লীগের দুঃসময়ের সাহসী নেতা হিসেবে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে এবারো সভাপতি হওয়ার দাবিদার বলে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। তিনি ১৯৮৪ সালে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ সালে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৩ সালে পুনরায় সম্মেলনে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় ফের সভাপতি হন।
নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান ছাত্র জীবন থেকেই রাজনীতি করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বুকে লালন করে ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনে স্বাধীনতার সময় মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। সদর উপজেলা, বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিভক্তি থাকলেও তিনি বিভক্তির উর্ধ্বে থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে লালন করে আওয়ামী লীগের সব কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।
‘৮০ এর দশকে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে দলের দুঃসময়ে নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান দলের সব কর্মকান্ডে নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন, আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে। তিনি দায়িত্ব থাকাকালীন সময়ে বিগত দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি নেতৃত্ব দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে বিজয়ী হওয়া পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ে থেকেছেন। নেতাকর্মীদের সব সময় খোঁজ-খবর নিয়েছেন। দলের সব বিষয়ে আলোচনা করেছেন। দলের প্রয়োজনে তিনি কখনোই পিছু না হয়ে সামনে এগিয়েছেন।
নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ানের প্রতি তৃণমূলের কর্মীদের অনেক আস্থা রয়েছে। দলের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে তিনি সবসময় কঠোর ছিলেন। শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সব সময় ঐক্য রেখেছেন। সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন প্রকার বিভেদ না রেখে সবার মাঝে ঐক্য রেখে নাজিম দেওয়ার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান বলেন, আমি দলের প্রয়োজনে এবারো সভাপতি প্রার্থী আছি। বিগত দিনের দলের প্রয়োজনে আমি কাজ করেছি, আশা করি দল আমাকে মূল্যায়ন করবে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা নেতৃবৃন্দ পূরণ করবে। আমার রাজনীতির জীবনে যা করেছি দলের জন্যই। দলের বাইরে গিয়ে কখনোই আমি কোন সিদ্ধান্ত নেইনি, যাইনি। আমি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য সব সময় আছি, থাকবো।
২২ নভেম্বর, ২০২২।
