মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা’১৯
স্টাফ রিপোর্টার
‘এসো মিলি মুক্তির মোহনায়’ এ স্লোগান নিয়ে ১৯৯২ সাল থেকে শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা এ বছর গৌরবের ২৮ বছরে পদার্পণ করতে যাচ্ছে। এ বছর বিজয় মেলা উদ্যাপন পরিষদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী পালনকল্পে বিজয় মেলার সাংস্কৃতিক ও নাট্য পরিষদের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সভা গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চাঁদপুর সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাংস্কৃতিক পরিষদের আহ্বায়ক তপন সরকারের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মৃনাল সরকারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিজয় মেলার চেয়ারম্যান অ্যাড. বদিউজ্জামান কিরন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিজয় মেলার মহাসচিব হারুন আল রশীদ।
সভায় আগামি ৫ ডিসেম্বর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি বিজয় মেলার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। ৮ ডিসেম্বর চাঁদপুর হানাদার মুক্ত দিবসে সাংস্কৃতিক ও নাট্য পরিষদের আয়োজনে শতাধিক শিল্পীর সমন্বয়ে বিজয় মঞ্চে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এছাড়া বিজয় মেলা চলাকালে যেসব সাংস্কৃতিক সংগঠন ও নাট্য সংগঠন তাদের অনুষ্ঠান উপস্থাপন করবে অনুষ্ঠানের শুরুতে যেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করা হয়।
এ সময় বক্তব্য রাখেন সংগীত নিকেতনের অধ্যক্ষ স্বপন সেনগুপ্ত, নাট্য পরিষদের আহ্বায়ক গোবিন্দ মন্ডল, নাট্য পরিষদের সদস্য সচিব এমআর ইসলাম বাবুসহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন সংগীত শিল্পী কৃষ্ণা সাহা, ইতু চক্রবর্তী, তাহমিনা হারুন, অনিতা নন্দী, মাঠ মঞ্চের আহ্বায়ক ইয়াহিয়া কিরন, শিপ্রা মজুমদার, রাখী মজুমদার, জহির উদ্দিন বাবর, মনোজ আচার্যী, অ্যাড. আবুল কালাম সরকার, অ্যাড. বিশ্বজিৎ কর রানা, মিঠুন বিশ্বাস, পিএম বিল্লাল, শুভ্র রক্ষিত, এমএইচ বাতেন, রাজিব চৌধুরী, আফসার বাবু, মেহেদী হাসান জীবনসহ আরও অনেকে।
