প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে নৌকায় ভোট চাইলেন মায়া চৌধুরী

মনিরুল ইসলাম মনির
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসনের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বাংলাদেশ আ.লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম নৌকা মার্কার জন্য দোয়া ও ভোট চাইলেন।
বুধবার (৩ জানুয়ারি) দিনব্যাপী মোহনপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর, বাহেরচর, এখলাছপুর ইউনিয়নের বোরচরসহ বিভিন্ন এলাকার জনগণের সাথে কুশল বিনিময় ও নৌকা মার্কার ভোট চাইলেন মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম। আগামি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করে নির্বাচনী গণসংযোগ ও সমাবেশ করেন।
নির্বাচনী গণসংযোগকালে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে চলছেন। গ্রামে বসবাস করে শহরের সুবিধা ভোগ করছে। এ দেশের কৃষক-শ্রমিক, দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আজ দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষও সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ সরকার। এই সরকারের আমলে দেশের যত উন্নয়ন হয়েছে-তা ইতিহাসযোগ্য। এর আগে কোন সরকার এত উন্নয়ন করতে পারেনি। তিনি চরাঞ্চলের ভোটারদের উদ্দেশ্যে করে বলেন, আমি মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে এখানের প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, এইচবিবি রাস্তাঘাট, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করে দিয়েছি। যা একসময় মানুষ কল্পনাই করতে পারেনি। সরকার যেখানে যা প্রয়োজন সব করছে। সকল প্রকার উন্নয়ন দিয়ে গ্রামকে শহরে রূপান্তর করা হবে।
মায়া চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যা উন্নয়ন হয়েছে ৪০ বছরে ইতিহাসে তা কেউ করে দেখাতে পারেনি, এ ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই পঞ্চমবারের মতো ক্ষমতায় আনতে হবে। উন্নয়নের করতে চাইলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকতে হবে, বাংলাদেশের উন্নয়নে আওয়ামীলীগ যা করেছে অতীতে তা কেউ কোনো দিন করে নাই। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও উদ্দেশ্য হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
নির্বাচনী উঠান বৈঠক ও পথসভায় সমাজসেবক সেলিম বাদশা সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য উপ-কমিটির সদস্য রাশেদুল হোসেন চৌধুরী রনি, আওয়ামী লীগ নেতা গাজী মুক্তার হোসেন, এখলাছপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক হোসেন মুরাদ, ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন দানেশ, এখলাছপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি রেহান উদ্দিন নেতা, এখলাছপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম মুন্না ঢালী, সিদ্দিক হোসেন বকাউল, আবু মোতালেব প্রমুখ।

০৪ জানুয়ারি, ২০২৪।