প্রধানমন্ত্রীকে রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেন হাইমচরের কুদ্দুছ

আজ রক্তাক্ত ভয়াল ২১ আগস্ট

সাহেদ হোসেন দিপু
আজ রক্তাক্ত ভয়াল সেই ২১ আগস্ট। ২০০৪ সালের আজকের এ দিনে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন বাঁচাতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন হাইমচরের কৃতী সন্তান, কেন্দ্রিয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুছ পাটওয়ারী।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনার প্রাণ রক্ষার্থে জীবন হারান হাইমচরের কৃতী সন্তান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রিয় নেতা শহীদ আব্দুল কুদ্দুস পাটওয়ারী। দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত কুদ্দুছ পাটওয়ারীর বড় ভাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির পাটওয়ারী বলেন, আজ ২১ আগস্ট আমার ছোট ভাই শহীদ কুদ্দুসের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। আমার মা জীবিত থাকাকালীন সময়ে প্রতিটি মৃত্যুবার্ষিকীতে ভাইয়ের খুনিদের সাজার আশায় থাকতেন। গ্রেনেড হামলায় জড়িত তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোটসরকারের সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবি করে আসছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন, তিনি যেন তার সন্তানের হত্যাকারীদের বিচার দেখে যেতে পারেন। আমার মায়ের ভাগ্যে আর তা হলো না। মা তার সন্তানের খুনিদের বিচার না দেখেই পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে গেছেন। আমার মা খুনিদের বিচার দেখে যেতে পারেনি। আমরা যেন খুনিদের বিচার কার্যকর হয়েছে তা দেখে যেতে পারি- এটাই আমাদের প্রাণের দাবি।
তিনি বলেন, আমার ভাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। আমি বরাবরই দাবি করে এসেছি- আমার ভাই শহীদ আব্দুল কুদ্দুছ পাটওয়ারীর নামে যেন হাইমচরে একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হয়। এটা এখন আমাদের কুদ্দুছ পরিবারের দাবি।

২১ আগস্ট, ২০২২।