ঝুঁঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

মনিরুল ইসলাম মনির
প্রায় ২৫ বছর আগে মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত ঠাকুরপাড়া ও সরকারপাড়া মধ্যবর্তী স্থানে খালের উপর এলজিইডি ব্রিজ নির্মাণ করে। নির্মাণের কয়েক বছর পরেই ব্রিজের দুই পাশের রেলিংয়ের পলেস্তার ভেংগে পরে রড বের হয়ে আছে। যেন দেখার কেউ নেই।
রেলিং না থাকায় বর্তমানে ব্রিজটি যেন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীসহ প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়তে এই ব্রিজ ব্যবহার করেন। বিকল্প কোনো যাতায়াত পথ না থাকায়, মরণফাঁদ জেনেও গ্রামবাসী এই ব্রিজ ব্যবহার করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজের রেলিংয়ের দুইপাশ থেকে ভেঙে যাওয়াসহ উপরের সিমেন্টের তৈরি পাটাতন ধসে যাওয়ায় বাঁশ দিয়ে আটকানো রয়েছে রেলিং। এই রাস্তা দিয়ে চলাচলের একমাত্র যানবাহন ব্যাটারি চালিত অটো, অটো রিকসা চলাচলও বন্ধ হওয়ার পথে। ছোট ছোট যানবাহনগুলো যাত্রী নামিয়ে পারাপার হচ্ছে।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, রেলিং না থাকায় বর্তমানে ব্রিজটি অবস্থা খুবই করুন। যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। যার ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন ও নানা দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন পথচারী, শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। শত শিক্ষার্থীর চলাচলের একমাত্র ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন অভিভাবকরাও।
ব্রিজটি উপর দিয়ে প্রতিদিনই শত-শত কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীসহ হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করেন। অথচ ব্রিজটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন মাথা ব্যথা নেই। এই ব্রিজ দিয়ে খুব সহজেই পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন জহিরাবাদ যাওয়া যায় বিধায় যানবাহন ও চলাচল করে বেশি।
এই এলাকার বাসিন্দা শাওন বলেন, ব্রিজে উঠলে ভয় পাই। দু’দিকের রেলিং না থাকায় মনে হয় পড়ে যাচ্ছি। যেকোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, তাই জরুরিভিত্তিতে ব্রিজের রেলিং পুনঃমেরামত করতে প্রশাসনে দৃষ্টি কামনা করছি।
