ফরিদগঞ্জের শীর্ষ মাদক সম্রাট বাদশা ১ লাখ ইয়াবাসহ চট্টগ্রামে বন্দুকযুদ্ধে নিহত

ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
ফরিদগঞ্জের বাদশা (২৫) নামের এক শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী চট্টগ্রামে র‌্যাবের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে র‌্যাব ১ লাখ ইয়াবা, একটি বিদেশী পিস্তল, একটি এলজি ও ছয় রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে তার মৃতদেহ উপজেলার বালিথুবা গ্রামে তার বাড়িতে নিয়ে আসে। একপর্যায়ে গত রোববার (২১ জুন) তড়িঘড়ি করে রাতের আঁধারে নানার বাড়ি (মুন্সিবাড়ীতে) দাফন করে। গত শনিবার ভোরে নগরীর ইপিজেড থানার আকমল আলী রোডের জেলে পাড়া সংলগ্ন বেড়িবাঁধে এ বন্দুকযুদ্ধ হয় বলে জানা গেছে।
জানা যায়, চট্টগ্রামে সমুদ্রপথে মাদকের চালান এসেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল সেখানে সেখানে উপস্থিত হয়। এ সময় সমুদ্রের দিক থেকে ৪-৫ জন যুবক বেড়ি বাঁধের দিকে আসলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের থামার নির্দেশ দেয়। কিন্তু র‌্যাবের উপস্থিতি দেখতে পেয়ে যুবকরা হঠাৎ গুলি করা শুরু করলে আত্মরক্ষার্থে র‌্যাব ও পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় বাদশা ঘটনাস্থলে নিহত হলেও বাকিরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ঘটনাস্থল থেকে ১ লাখ ইয়াবা, একটি বিদেশী পিস্তল, একটি এলজি ও ছয় রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
নিহত বাদশা উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের বালিথুবা গ্রামের আহসান উল্লাহ মিজি বাড়ির মাও. ইওসুফের ছেলে। বাদশা দীর্ঘদিন চাঁদপুর ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকের বিস্তার ঘটানোর পর এলাকা থেকে গাঢাকা দেয় বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান। বাদশার কয়েক ডজন সহযোগী মাদক ব্যবসায়ী এখনো উপজেলার বালিথুবা, চান্দ্রা, মুন্সির হাটসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে যায়। এদিকে বাদশার পরিবারের লোকজন খবর পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে বাদশার মৃতদেহ এনে গত রোববার সকদিরাপুর গ্রামে রাতের আঁধারে নানার বাড়ি (মুন্সি বাড়িতে) দাফন করে।
ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ আব্দুর রকিব জানান, বাদশা মাদক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলো।

২২ জুন, ২০২০।