ফরিদগঞ্জে ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি না নেয়ার নিদের্শনা

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায়

ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
ফরিদগঞ্জ উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাগুলোকে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফরম পূরণ বাবদ অতিরিক্ত অর্থ না নেয়ার নিদের্শনা দিয়ে চিঠি দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। গত ৬অক্টোবর এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি (০৫.২০.১৩৪৫.০০০.০৫.০০৩.১৮) করেন।
জানা গেছে, ফরিদগঞ্জ উপজেলায় বর্তমান ৪৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৫৪টি মাদ্রাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু ফরম পূরণ , কেন্দ্র ফি ও ব্যবহারিক পরীক্ষার ফি বাবদ বোর্ডের নিদের্শনা উপেক্ষা করে নিজেদের মতো করে অর্থ আদায় করে। অনেক গরীব ও অসহায় অভিভাবকরা পড়েন বিপদে। জানা গেছে, গাজীপুর মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় ও খাজুরিয়া বহুমুখি উচ্চ বিদ্যালয়ে বোর্ড ফির বাইরে উন্নয়ন ফির নামে শিক্ষার্থী প্রতি ৫শত টাকা করে বাড়তি অর্থ ধার্য্য করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয় লোকজন জানায়, নির্ধারিত বোর্ড ফির বাইরে উন্নয়ন ফি, মিলাদ ফি, কোচিং ফি, বিশেষ কোচিং ফির নামে নিজেদের ইচ্ছেমত অর্থ ধার্য্য করে। দুদুকের নিষেধ স্বত্ত্বেও নির্বাচনী পরীক্ষায় ফেল করা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাড়তি অর্থ আদায় করে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড কুমিল্লা(বিজ্ঞপ্তি নং- ২০১৮/৪৭) ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (দাখিল -২০১৯/২৩৩৫) কর্তৃক জারিকৃত পত্র অনুযায়ী ২০১৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ বাবদ টাকা নির্ধারণ করে দেয়। এর মধ্যে ফরম পূরণ ও কেন্দ্র এবং ব্যবহারিক ফিসহ মানবিকে নিয়মিত ১৬৫০ অনিয়মিত ১৭৫০ টাকা, বিজ্ঞানে নিয়মিত ১৭৭০ ও অনিয়মিত ১৮৭০ টাকা, ব্যবসায় শিক্ষা নিয়মিত ১৬৫০ ও অনিয়মিত ১৭৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ইতিমধ্যেই উপজেলা বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর চেয়ে কয়েকগুন বেশি অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠে।
ফলে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. আলী আফরোজ গত ৬ অক্টোবর অতিরিক্ত ফি না নেয়ার জন্য এই নির্দেশনা জারি করেন। এব্যাপারে তিনি জানান, বোর্ড কর্তৃক জারিকৃত পরিপত্রের বাইরে কোন বাড়তি অর্থ নেয়া যাবে না। কোন অভিযোগ পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।