
রুহুল আমিন খান স্বপন
ফরিদগঞ্জ পৌর শহরের প্রধান সড়কটির উন্নয়ন কাজ ঠিকাদার যেনো সঠিক ও মানসম্মতভাবে করে সেজন্য তরুণ মেয়র মো. মাহফুজুল হক অত্যন্ত তৎপর। সড়কটির নির্মাণ কাজের শুরু থেকেই মেয়র নিজে উপস্থিত থেকে নির্মাণ কাজ তদারকি করতে দেখা যায়। জনগনের দুর্ভোগ লাঘবে মেয়রের এ তৎপরতাকে সাধুবাধ জানান পৌরবাসী।
জানা যায়, দীর্ঘ ভোগান্তির পর প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার প্রধান সড়কটি আরসিসি ঢালাইয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ চলছে। ফরিদগঞ্জ এ.আর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ভূমি অফিসের মোড় পর্যন্ত এ সড়কটির উন্নয়ন কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। নির্মাণাধীন এ সড়কটির কাজ স্ব-শরীরে থেকে তদারকি করছেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র মাহফুজুল হক। এ রাস্তা নির্মাণের ঠিকাদার মেয়র না হলেও তার তদারকিতে রাস্তাটির চলমান কাজের ভাল গুণাগুণ দেখে অনেকেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে। আগামি এক সপ্তাহের মধ্যেই রাস্তাটির পুরো কাজ সম্পন্ন হবে, বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ফলে পৌরসভার নাগরিকদের দীর্ঘ দিনের ভোগান্তির অবসান হতে যাচ্ছে।
কাজটি শুরুর পর থেকে গত কয়েকদিন যাবৎ মেয়র নিজেই কাজের তদারকি করা ছাড়া দ্রুত কাজটি সম্পাদনের জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন। প্রতিদিনই কাজের পাশে পৌরসভার প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম ও সচিব খোরশেদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে এখন অতন্দ্র প্রহরীর ন্যায় দেখা যায়। সিডিউল মতে পুরো কাজ আদায় করে নিতে মেয়র মাহফুজুল হক কাজের সময় রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র মাহফুজুল হক দৈনিক ইল্শেপাড়কে জানান, প্রায় পৌনে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে পৌরসভার প্রধান সড়কটি আরসিসি ঢালাই দ্বারা উন্নয়ন করা হচ্ছে। পরবর্তীতে থানার মোড় থেকে কালির বাজার চৌরাস্তা পর্যন্ত সড়কটিও আরসিসি ঢালাই করা হবে এজন্য কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আশা করা হচ্ছে দ্রুত সময়েই তা অনুমোদিত হবে। এছাড়া বাজারের উত্তর গলির সড়ক ও ড্রেন নির্মাণের টেন্ডার পক্রিয়াও শেষ হয়েছে। এসব কাজ সম্পন্ন হলে পুরো শহরে আর কোন বড় ধরনের কাজ বাকি থাকবে না। ইতোমধ্যেই পানি সরবরাহ ব্যবস্তা কাজ শুরু হওয়ার পথে। এজন্য আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তিনি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
এছাড়া তিনি পৌরসভায় আড়ে দায়িত্ব পালনকারী জনপ্রতিনিধিদের সমালোচনা করে বলেন, আগে পৌরসভার কোন উন্নয়ন কাজই হয়নি। হয়েছে লুটপাট আর দুর্নীতি। আমি দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই পৌরসভার রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য উদ্যোগ নেই। যার সুফল ইতোমধ্যে পৌরবাসী পেতে শুরু করেছে বলে দাবি করেন তিনি।
