ফরিদগঞ্জে হামলার ঘটনায় থানায় মামলা, আটক ১

ফরিদগঞ্জ ব্যুরো
ফরিদগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে হামলা ও পরে মামলার ঘটনায় মামুন মাঝি নামে একজনকে আটক করছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার (২৫ মে) রাতে উপজেলার চরদুখিয়া পশ্চিম ইউনিয়নের বিরামপুর থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। আটক মামুন এজাহার নামীয় ২ নম্বর আসামি। পরে গতকাল বুধবার সকালে তাকে আদালতে পাঠায় পুলিশ। মামলার অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
অভিযোগে জানা যায়, গত ২৩ মে চরদুখিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসান আব্দুল হাইয়ের বড় ছেলে সুজন হোসেনের কাছে পাওনা টাকা দাবি করে একই ইউনিয়নের লড়াইরচর গ্রামের আব্দুল লতিফ তফদারের ছেলে রাছেল হোসেন। এ নিয়ে বাক-বিতন্ডার একপর্যায়ে সুজন হোসেন বিরামপুর বাজারে ইসলামী ব্যাংকের সামনে মারধর করে। পরে তাকে মোটরসাইকেল যোগে চেয়ারম্যানের ছোট ছেলে মনির হোসেন ও তার নাতি শাকিল হোসেন ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসে। সেখানে তাকে আবারো মারধর করে গুরুতর আহত করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় রাছেলকে প্রথমে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়। এদিকে রাছেলের মা খালেদা বেগম গত ২৪ মে বিকেলে ফরিদগঞ্জ থানায় ৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে চরদুখিয়া পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাসান আব্দুল হাই বলেন, রাছেল দীর্ঘদিন ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। পার্শ^বর্তী হাইমচর উপজেলার চিহ্নিত মাদক ও ডাকাতি মামলার আসামি ইসমাইলের সাথে তার সখ্যতা রয়েছে। ইসমাইল যাতে এই এলাকায় ঢুকতে না পারে এ বিষয়ে এলাকার অনেককে জানিয়ে রেখেছি। গত রোববার ইসমাইল ও রাছেলের মাঝে মাদক কেনাবেচা চলছিল, তখন স্থানীয় লোকজন তাদের ধরে মারধর করেন এবং ইসমাইলকে হাইমচর থানায় হস্তান্তর করে। আর রাছেলের মা ফোন করে কান্নাকাটি করেছিলো বলে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেই।
এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহিদ হোসেন জানান, রাছেলের মা খালেদা বেগম তার ছেলেকে মারধর করার অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করেছেন। সে আলোকে আসামি মামুন মাঝিকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছে।

২৭ মে, ২০২১।