ফরিদগঞ্জে ৩ সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ১

নারায়ন রবিদাস
ফরিদগঞ্জে মেয়ের গলায় দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে ৩ সন্তােেনর মাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সুমন ভূঁইয়াকে আটক করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের ভাওয়াল গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। পরে জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে গত রোববার রাতে ফরিদগঞ্জ থানার পুলিশ সুমন ভূঁইয়া ও ইউনুছ বরকন্দাজকে আসামি করে ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। এদিকে ধর্ষণের শিকার ওই গৃহবধূ চাঁদপুর সরকারি জেলারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গৃহবধূর স্বামী জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আমি আমার বাড়ির বিদেশফেরত বন্ধুকে তার শ^শুর বাড়ি পশ্চিম ভাওয়াল গ্রামে এগিয়ে দিতে যাই। এই সুযোগে লম্পট সুমন ভূঁইয়া ও ইউনুছ আমার ঘরে প্রবেশ করে। তারা ঘরে ঢুকে আমার মেয়ে ও স্ত্রীর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে সুমন ভূঁইয়া আমার স্ত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় আমার স্ত্রীর ডাক-চিৎকার করলে তারা পালিয়ে যায়।
থানায় অভিযোগ করতে দেরি হওয়ার কারণ জানতে চাইলে নূরুল আমিন পাটওয়ারী জানান, বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার গত দুইদিন যাবত আমার স্ত্রী অনবরত কান্না করতে দেখে আমি আমার স্ত্রীর কাছে জানতে চাইলে মান-সম্মানের ভয়ে প্রথমে বলতে চায়নি। আমি তাকে অভয় দিয়ে কারণ জানতে চাইলে পরে তার সাথে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা আমাকে খুলে বলে। বর্তমানে আমার স্ত্রী শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অভিযুক্তরা হলেন- পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের পূর্ব ভাওয়াল পাটওয়ারী বাড়ির রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়ার ছেলে সুমন ভূঁইয়া এবং সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের শোল্লা গ্রামের বরকন্দাজ বাড়ির কলমতরের ছেলে মো. ইউনুছ বরকন্দাজ।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, ধর্ষণের খবর পেয়ে বাড়ি থেকে অভিযুক্ত সুমন ভূঁইয়াকে আটক করেছি। অপর আসামিকে আটকের চেষ্টা চলছে।

১২ এপ্রিল, ২০২২।