আবু তালেব সরদার
সত্যের শক্তিতে ও প্রশ্চাতপদকে ঠেলে দিয়ে ফরিদগঞ্জ আগামী পৌর আওয়ামী লীগকে ঢেলে সাজাতে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও আওয়ামী পরিবারের চিরচেনা মুখ খলিলুর রহমান আগামি পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হতে চান। খলিলুর রহমান একটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবার ও মুক্তিযোদ্ধা হাজি আব্দুল আউয়ালের ৭ ছেলের মধ্যে তিনি পঞ্চম সন্তান।
খলিলুর রহমান ফরিদগঞ্জ সাবেক পৌর কাউন্সিলর হয়ে পরে তিনি প্যানেল চেয়্যারম্যান নির্বাচিত হন। দক্ষতা ও সততার সাথে গত ৫ বছর পৌরবাসীর সেবা দিয়ে যান। এছাড়া তিনি গত পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে নৌকার মনোনয়ন চেয়েছিলেন এবং নির্বাচনী মাঠে ভোটারদের মন জয় করে নেন। তবে দলীয় হাই কমান্ড ও দলের আদর্শকে মেনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। বড় ভাই হারুন ৬নং পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি। অপর ভাই আখের তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকতে গ্রীস আওয়ামী লীগের জয়েন্ট সেক্রেটারী ছিলেন। অন্য ভাই মো. মমিন এক দশক আগে ফরিদগঞ্জ কলেজ ছাত্রলীগ শাখার সেক্রেটারী পদে নির্বাচন করেন।
পৌরসভার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আওয়ামী রাজনীতির একবারে পরিচিত মুখ হাজী আব্দুল আউয়াল পরিবার বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার সপক্ষের শক্তি। মনোনে আওয়ামী লীগ পরোক্ষ আওয়ামী লীগ। এমন পরিবার আগামি সম্মেলনে ও অধিকার বিবর্চিত আওয়ামী পরিবারকে বাঁচাতে মো. খলিলুর রহমানের বিকল্প নেই।
এছাড়া মো. হাজি আব্দুল আউয়াল একজন মুক্তিযোদ্ধা। ১/১১ আওয়ামী লীগের দুর্দিনে ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক হয়ে কাজ করেন। তাছাড়া যিনি মুক্তিযোদ্ধার সম্মানি ভাতা আজও অসহায় ও দরিদ্রের মাঝে বিলিয়ে দেন। এভাবে বিলিয়ে দেওয়ার নজির খুবই কম। এছাড়া হাজি আব্দুল আউয়ালের সাথে মুক্তিযোদ্ধাকালীন পরিচয় হয় দেশের উজ্জ্বল নক্ষত্র ৮নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার মরহুম কর্নেল আবু ওসমান চৌধুরীর সাথে। আবু ওসমান চৌধুরী ৯৬ সালে বিজিএমসি চেয়ারম্যান থাকাকালীন মাঝে মধ্যে ফরিদগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা হাজি আওয়ালের সাথে আলাপচারিতা করতে দেখা যেতো। ঐ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের দুর্দিন চলছিল। এভাবে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হাজি আউয়ালসহ তারা নিরলস কাজ করেন।
২৭ জুন, ২০২২।
