ফরিদগঞ্জ শিক্ষা অফিসে পৌনে ১ কোটি টাকার কমিশন বাণিজ্য

১৮৯ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ কোটি ৮০ লাখ টাকার কাজ

ইল্শেপাড় রিপোর্ট
২০১৮-১৯ অর্থবছরে ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১শ’ ৯০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য ২ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত এই টাকার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ টাকা উপজেলা শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে ঘুষ হিসেবে দিতে হয়েছে। যার পরিমাণ প্রায় পৌনে ১ কোটি টাকা। স্লীপ অনুদান, ক্ষুদ্র ও রুটিন মেরামত, শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণ ও ওয়াশ ব্লক (টয়লেট) মেরামত খাতে এসব বরাদ্দ করা হয়। এর মধ্যে স্লীপ অনুদান বিদ্যালয়প্রতি ৫০ থেকে ৮৫ হাজার, ক্ষুদ্র ও রুটিন মেরামত খাতে ৪০ হাজার থেকে ২ লাখ, শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণ খাতে ১০ হাজার এবং ওয়াশ ব্লক (টয়লেট) মেরামত খাতে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা করে বরাদ্দ করা হয়।
বরাদ্দকৃত টাকা চলিত বছরে ব্যয় করা হয়েছে বলে উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে। তবে বিদ্যালয় প্রতি বরাদ্দকৃত টাকার বিপরীতে উপজেলার শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা কমিশন হিসেবে লোপাট করছেন প্রায় পৌনে এক কোটি টাকা। এমন অভিযোগ এই উপজেলার কর্মরত প্রধান শিক্ষকদের। তবে নাজেহাল হবার ভয়ে কোন শিক্ষক’ই তাদের নাম প্রকাশ করছে না।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিস জানায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে স্লীপ অনুদান, ক্ষুদ্র ও রুটিন মেরামত, শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণ ও ওয়াশ ব্লক (টয়লেট) মেরামত খাতে মোট বরাদ্দ আসছে ২ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার। তার মধ্যে স্লীপ অনুদান হচ্ছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার। ক্ষুদ্র ও রুটিন মেরামত খাতে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার। শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণ খাতে ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ওয়াশ ব্লক (টয়লেট) মেরামত খাতে ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। যা ইতোমধ্যে বরাদ্দকৃত স্ব-স্ব বিদ্যালয়ে ব্যয় করা হয়েছে। তবে বিদ্যালয়ভেদে কম-বেশি বরাদ্দ ছিলো। যেসব বিদ্যালয়ে বরাদ্দ বেশি ছিলো সেসব বিদ্যালয়ে কমিশনও বেশি দিতে হয়েছে।
এদিকে সুবিধাভোগী ১৮৯টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের অভিযোগ, আগের যেকোন সময়ের তুলনায় এ অর্থবছরে বরাদ্দের পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ। ফলে বরাদ্দকৃত টাকার বিপরীতে মোটা অঙ্কের উৎকোচও দিতে হয়েছে তাদের ৪টি ভাগে। তার মধ্যে খোদ শিক্ষা অফিসার, ক্লাস্টারভিত্তিক সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রকৌশল অফিস ও শিক্ষা অফিসে কর্মরত স্টাফদের কমিশন বাবত ব্যয় করতে হয়েছে (বিদ্যালয় ভেদে বরাদ্দকৃত) ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ টাকা। যার ফলে উপজেলার মোট বরাদ্দের ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা গেছে শিক্ষা অফিসের কর্তাদের পকেটে। বাকি টাকা নিয়েছে কাজের প্লান পাসের জন্য উপজেলা প্রকৌশল অফিস এবং টাকা ছাড়ের হিসাবরক্ষণ অফিস।
তবে প্রধান শিক্ষকদের এমন অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা। তাদের দাবি ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর বরাদ্দকৃত টাকা যথাযথভাবেই ব্যয় করা হয়েছে। এছাড়া কাজগুলো তদারকির জন্য গত ৩০ সেপ্টেম্বর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে বিভিন্ন উপজেলার (ফরিদগঞ্জ উপজেলা ছাড়া) সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসাররা বিদ্যালয়গুলো প্রত্যক্ষভাবে সরজমিন পরিদর্শন শেষে তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। ঐ প্রতিবেদনগুলোতে কাজের মান ও ব্যয়িত অর্থ সঠিকভাবেই ব্যবহার হয়েছে বলে স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানিয়েছেন।
শিক্ষা অফিসার ও সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের এমন অভিমতের বিপরীতে বেশ কয়েকজন প্রধান শিক্ষক নাম না প্রকাশের শর্তে ইল্শেপাড়কে জানান, ৩০ সেপ্টেম্বরের শিক্ষা অফিসারদের সরজমিন পরিদর্শনটিও ছিলো লোক দেখানো। বরং কর্মকর্তাদের কমিশন বাণিজ্যর টাকা বৈধ করার মাধ্যমই ছিলো কথিত ঐ পরিদর্শন। কারণ হিসেবে প্রধান শিক্ষকরা জানান, প্রতিবেদন তৈরির জন্য কর্মকর্তারা ঠিকই বিদ্যালয় ভিজিট করেন, কিন্তু তাদের জন্যও বিশেষ আপ্যায়নের ব্যবস্থা করতে হয়েছে প্রত্যেকটি বিদ্যালয়কে।
এছাড়া পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের ভুড়িভোজের জন্য প্রত্যেক বিদ্যালয়কে সর্বনিম্ন ৪শ’ টাকা করে গুণতে হয়েছে। আবার কোন কোন প্রতিষ্ঠানকে লাঞ্ছনার শিকার হতে হয়েছে ক্লাস্টার কর্মকর্তাদের মাধ্যমে। লাঞ্ছনার শিকার হওয়া শিক্ষকরা ভুয়া ভাউচার ঠিকমতো তৈরি করতে না পারার জন্য এই পরিস্থিতির মুখে পরেন বলে অভিযোগ করেন। ফলে চলতি জুন-জুলাই মাসে বরাদ্দকৃত টাকার তিন ভাগের এক ভাগ টাকা কৌশলে হাতিয়ে নেয় এই ফরিদগঞ্জের শিক্ষা কর্মকর্তারা।
প্রধান শিক্ষকরা আরো দাবি করেন, পরিদর্শনকালে ভুড়িভোজে অংশ নেন উপজেলার কথিত ফাঁকিবাজ শিক্ষকরাও। এসব ফাঁকিবাজ শিক্ষকরা উপজেলা শিক্ষা অফিসকে অনেকটাই জিম্মি করে রেখেছে। অভিযুক্ত এসব শিক্ষকরা অনেকটাই সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের দালালি আর তাদের ড্রাইভার হিসেবে চিহ্নিত। এসব শিক্ষকরা নিজ-নিজ বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষকদের ক্লাস না করিয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসারদের দালালি আর খুশি করার কাজে ব্যস্ত থাকে দিবা-রাত্রি।
ফলে এমন কথিত শিক্ষকদের কাছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরাও যেমন অনেকটা জিম্মি, তেমনি উপজেলার হাজার-হাজার কোমলমতি শিক্ষার্থীরাও জিম্মি বলে প্রধান শিক্ষকরা দাবি করছে। তবে বেশ কয়েকজন প্রধান শিক্ষক অনেকটা ক্ষেভের সাথে দাবি করছেন, উপজেলার কোন বিদ্যালয় কত টাকা কমিশন দিবে তা অনেকটাই নির্ধারণ করে দেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। অপরদিকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মনির উজ্জামান (কাজের পরে বরাদ্দকৃত টাকার) কমিশনের টাকা আগে বুঝে নিয়েই ঐ বরাদ্দকৃত কাজের টাকা ব্যাংকে প্রেরণ করেন।
মূলত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন উপজেলা শিক্ষা অফিসের দুর্নীতির প্রধান নিয়ন্ত্রক বলে জানান অনেকে। তিনি এমন কোন কাজ নেই করেন না। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো তার কাছে জিম্মি হয়ে আছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোন কিছু কেনা-কাটা হলেই শুরু হয় তার ব্যবসা। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থেকে ১ টাকার জিনিস এনে ৪ টাকায় বিক্রি করেন (পরবর্তী প্রতিবেদনে সে বিষয়ে বিস্তারিত দেয়া হবে)।
এছাড়া প্রধান শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে স্লীপ আনুদান, ক্ষুদ্র ও রুটিন মেরামত, শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণ ও ওয়াশ ব্লক (টয়লেট) মেরামতের মতো কাজগুলো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে করলে শিক্ষা অফিসার কিংবা সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারদের এমন নৈরাজ্যমূলক দুর্নীতি অনেকটাই কমে আসবে। পাশাপাশি শিক্ষকতার মতো পবিত্র পেশায় থেকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে অন্যায় আর মিথ্যা ভাউচার তৈরি করা থেকেও বিরত থাকা অনেকাংশেই সম্ভব হবে।
স্লীপ আনুদান, ক্ষুদ্র ও রুটিন মেরামত, শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণ ও ওয়াশ ব্লক (টয়লেট) মেরামতের কাজে দুর্নীতি প্রসঙ্গে বহুল আলোচিত ফরিদগঞ্জ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বেলায়েত হোসেনের মোবাইলে (০১৭১৭-৬২২৩২৬) ফোন করলে তিনি বলেন, আর্থিকসহ অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, এমন কোন অনিয়ম কিংবা দুর্নীতির সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনির উজ্জামান খান মোবাইলে (০১৭১২-৭৮৪২৭২) ফোন করলে তিনি বলেন, দুর্নীতি তো দূরের কথা, এমন অভিযোগের কোন ভিত্তিই নেই। তিনি দাবি করেন, সুন্দরভাবেই বরাদ্দকৃত অর্থের কাজ উপজেলার ১৮৯টি বিদ্যালয়ে হয়েছে। কোন প্রকার দুর্নীতি হয়নি।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসের এমন দুর্নীতি প্রসঙ্গে উপজেলার সচেতন মহল ও সাধারণ শিক্ষকরা গণমাধ্যমের কাছে দাবি করছেন, শিক্ষাঙ্গনের মতো প্রতিষ্ঠানে যখন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকাশ্য আর্থিক দুর্নীতি হয়, ঠিক তখন এ জাতির শিক্ষা খাতের ভবিষ্যৎ কতটা হুমকির মুখে তা অনেকটাই অনুমান করা যায়। এজন্য তারা উপজেলার ১৯০টি বিদ্যালয়ের কাজগুলো ‘দুর্নীতি দমন ব্যুরো’র মাধ্যমে তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ফরিদগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮টি ক্লাস্টার হলো: বালিথুবা ক্লাস্টার, শোল্লা ক্লাস্টার, গল্লাক ক্লাস্টার, সিংহেরগাঁও ক্লাস্টার, চির্কা চাঁদপুর ক্লাস্টার, সন্তোষপুর ক্লাস্টার, ফরিদগঞ্জ সদর ক্লাস্টার ও রুপসা ক্লাস্টার। এসব ক্লাস্টারগুলোর মাঝে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের খাতগুলো : স্লীপ আনুদান, ক্ষুদ্র ও রুটিন মেরামত, শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণ ও ওয়াশ ব্লক (টয়লেট) মেরামত খাতে মোট বরাদ্দ : ২ কোটি ৭৯ লাখ ৭০ হাজার। তার মধ্যে স্লীপ অনুদান হচ্ছে ১ কোটি ১৩ লাখ ৪০ হাজার। ক্ষুদ্র ও রুটিন মেরামত খাতে ১ কোটি ৩৬ লাখ ৬০ হাজার। শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণ খাতে ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ওয়াশ ব্লক (টয়লেট) মেরামত খাতে ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়।
বিপরীতে সুবিদাভোগী উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো হলো: সেকদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পালতালুক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সকদিরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খড়খাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মদনেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লোহাগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর সকদিরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চান্দ্রা বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেবীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মানিকরাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দেইচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শোশাইচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিথবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সরখাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুলপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর রাজারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ রাজারপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাছিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সানকিসাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম দেইচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দলমগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উভারামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দিগাধাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাসারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম বাসারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফণিসাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ লক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুবিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়গাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাচনমেঘ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুন্সিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘড়িহানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চৌরাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শোল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাম্রশাসন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আইটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তেলিসাইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সুরঙ্গচাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবরচিত্রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উটতলী নুরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুয়াটোবা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মানুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শ্রীকালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গল্লাক বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গুপ্টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আষ্টা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভোটাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ষোলদানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খাজুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হোগলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আদশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লাউতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম লাউতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মান্দারতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ত্রিদোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিমুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাইসাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হামছাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৈচাতরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নোয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাইকপাড়া বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাইকপাড়া বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিংহেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাঁশারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ভাওয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম ভাওয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাশিয়ালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উপাধীক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বিষুরবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কবিরুপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দায়চারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব দায়চারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ কড়ৈতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কড়ৈতলী জুবলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাজীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাহাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খুরুমখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ শাশিয়ালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব জয়শ্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইছাপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ নদোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাচিয়াখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বালিচাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শোভান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধানুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রত্যাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চির্কা চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর চররাঘবরায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ চররাঘবরায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম লাড়ুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামপুর বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব হাঁসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাঁসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম হাঁসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব ধানুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ ধানুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাওয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরমথুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম শোভান, পূর্ব গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম আলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আলোনিয়া কুলচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব আলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এখলাশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সন্তোষপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সন্তোষপুর দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম সন্তোষপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর বিষকাটালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব লাড়ুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম বিষকাটালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লড়াইচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরদুঃখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব চরদুঃখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ বিষকাটালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফিরোজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর আলোনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম চরদুঃখিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম এখলাসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ লড়াইচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ-পশ্চিম বিশকাটালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাটিয়ালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরকুমিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরবসন্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কেরোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাটিরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়ালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফরিদগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফরিদগঞ্জ বালিকা উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফরিদগঞ্জ বালিকা দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাফুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর চরবড়ালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ চরবড়ালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ বাড়ালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালির বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হর্নি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম হর্নি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম পোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চররামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ চররামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরহোগলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব বড়ালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর কেরোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব হর্নি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম হর্নি ফজলে আহাম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য চরবড়ালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম চরবড়ালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রুপসা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বদিউজ্জামানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রুপসা বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম রুপসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাব্দেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রুস্তুমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বারপাইকা বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরমঘুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গৃদকালিন্দিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরমান্দারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নলগোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম কাওনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব কাওনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাহেবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ সাহেবগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম গাব্দেরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চরমান্দারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ বদরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাটেরহৃদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঘোড়াশাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কমলকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে একমাত্র সিংহেরগাঁও ক্লাস্টারের বালিচাটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কোন প্রকার বরাদ্দ পায়নি।