বসতঘর ভাঙার মিথ্যে অভিযোগে
স্টাফ রিপোর্টার
সম্পত্তিগত বিরোধের জের ধরে রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে বসতঘর ভাঙার মিথ্যে অভিযোগ সাজিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সহদর ভাই আব্দুল হাসিম ও তার পরিবারের নামে।
জানা যায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলা সুবিদপুর (পশ্চিম) ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের আটপাড়া গ্রামের চৌকিদার বাড়ি ভুক্তভোগী রুহুল আমিন ও সহদর বড়ভাই আবুল হাসিম পৈতৃক সম্পত্তির মালিক হয়ে একই বাড়িতে প্রতিবেশী হিসেবে দীর্ঘদিন বসবাস করছেন। কিন্তু আবুল হাসিম ও তার ছেলে আমির হোসেন, ফারুক হোসেন, আরিফ হোসেন তার ছোট ভাই মো. রুহুল আমিনের বসতঘরের সামনে পাকের ঘর ও পরিকল্পিতভাবে গোয়াল ঘর নির্মাণ করে বিভিন্নভাবে অত্যাচার করে আসছে বলে দাবি করেন রুহুল আমিন।
আরো জানা যায়, আবুল হাসিমের পালিত গরুর মল-মূত্র ঘরের সামনে এসে চলাচলের পথ অনুপোযোগী হয়ে দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে যায়। বাধ্য হয়ে অনুপোযোগী পরিবেশে মানবেতর জীবন-যাপন করছে রুহুল আমিন তার পরিবারের সদস্যরা।
ইতোমধ্যে আবুল হাসিম ও তার ছেলেরা জোরপূর্বক ভুক্তভোগী রুহুল আমিনের ক্রয়কৃত সম্পত্তির উপর সন্ত্রাসী কায়দায় দেওয়াল নির্মাণ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু রুহুল আমিন জানান, ঐ জায়গায় মার পৈত্রিক সম্পত্তির বাইরে (১০৩০৮ এবং ১০৩০৯) দলিলে সি.এস ৪৮৮ ও ৪৯৯. বিএস. ৬৫৪ দাগে মোট ৮ শতাংশ জমি আমার বোন রুপবান ও মনুজা বেগম থেকে ২০০৬ সালে ফরিদগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সাবকবলা মূলে ক্রয় করে মালিকানা হই এবং উক্ত জায়গায় আমি ভোগ দখল করে আসছি। কিন্তু আমরা বড় ভাই আবুল হাসিম ও তার সন্তানরা জোরপূর্বক আমার জায়গায় দখল করার চেষ্টা করলে আমি চাঁদপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করি, যা চলমান রয়েছে।
এখন আবুল হাসিম গং সম্পূর্ণ মিথ্যে অভিযোগ সাজিয়ে সঠিক ঘটনাকে আড়াল করতে আমার পরিবারের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যে ও বানোয়াট অভিযোগ তুলেন তার বসতঘর ভাঙার। রুহুল আমিন গং উপস্থিত সংবাদকর্মী ও এলাকাবাসীর উদ্দেশে বলেন, আপনারা দেখেন আমার ভাইয়ের বসতঘরে কোন ধরনের ভাঙচুর অথবা কোন ক্ষতির চিহ্ন আছে কি-না। প্রকৃতপক্ষে আমার ভাই ও ভাতিজারা আমার পরিবারের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন-নিপীড়ন ও মিথ্যে মামলায় দিয়ে হয়রানি করে আসছেন।
সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মহসিন জানান ও ঐ ওয়ার্ডের সদস্যসহ সরেজমিনে আবুল হাসিমের বসত ঘর ভাঙার তেমন কোন সত্যতা পাওয়া ও দেখা যায়নি। মূলত এদের মধ্যে জায়গায় সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ২ পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। আগামি শনিবার উভয় পক্ষকে পরিষদে আসতে বলছি। এলাকায় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ইনশাআল্লাহ উভয় পক্ষের মাঝে চলা বিরোধের সমাধান করার চেষ্টা করবো।
২৪ জানুয়ারি, ২০২১।
