ফাঁস দিয়ে হাজীগঞ্জের রুবেলকে কুমিল্লায় হত্যার অভিযোগ

মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ্
হাজীগঞ্জের রুবেল হোসেন (২৬) নামের এক যুবককে কুমিল্লায় গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তবে রুবেলের ভাই হাছান মাহমুদ সংবাদকর্মীদের জানান, তার ভাই আত্মহত্যা করেছে। নিহত রুবেল হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের পয়ালজোশ গ্রামের নুরুল হকের বড় ছেলে।
রুবেল কুমিল্লা সদর থানার দক্ষিণ দুর্গাপুর ইউনিয়নের খেতাসারা চেয়ারম্যান অফিস সংলগ্নে বাসাভাড়ায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে থাকতো। তার স্ত্রী ও তিন মাস বয়সী মেয়ে রয়েছে। স্ত্রী কোহিনূরের সাথে তার প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। গত কয়েকদিন আগে স্ত্রী কোহিনুর ঝগড়া করে বাবার বাড়িতে চলে যায়।
গত বৃহস্পতিবার (৩ জুন) রাত ১ টায় এ্যাম্বুল্যান্সযোগে রুবেলের লাশ গ্রামের বাড়িতে আসে। এর আগে তার পরিবারকে বন্ধুরা ফোনে জানায় রুবেল মারা গেছে। তবে কিভাবে রুবেল মারা গেছে কেউ বলতে পারছে না। এমনকি রুবেলের পরিবারও না। তাদের দাবি রুবেল ফাঁসি দিয়েছে। তবে তার মৃত্যুদেহ খাটে শোয়ানো ছিল।
কুমিল্লা থেকে রুবেলের লাশ নিয়ে আসার সহপাঠীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে রুবেলের বাসায় গিয়ে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। ওই সময় তার স্ত্রী বা সন্তান কেউ ছিল না। হাজীগঞ্জে মৃতদেহ আসার খবর পেয়ে গত শুক্রবার দুপরে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক আবদুল আজিজ মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসে। সেখান থেকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানা উপ-পরিদর্শক আবদুল আজিজ জানান, রুবেলের গলায় বড় দাগ রয়েছে। তবে দাগটি নতুন হতে পারে বলে ধারণা করেন তিনি। এসময় তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। প্রাথমিক তদন্ত চলছে বলে তিনি জানান।

০৫ জুন, ২০২২।