
এস এম সোহেল
বর্তমান সরকারের জমি আছে ঘর নেই, এমন প্রকল্প চালু করেছে। সে প্রকল্পের অংশ হিসেবে চাঁদপুর সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের জমি আছে ঘর নেই, গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলছে। বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের গৃহহীনদের সবক’টি ঘর ইতোমধ্যে হস্তান্তরের উপযোগী হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসারের তদারকিতে কাজ চলছে।
কাজের গুণগতমান ও নির্মাণ কাজ সুন্দর হওয়ায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, চাঁদপুরের উন্নয়নের রুপকার, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি চেয়ারম্যানকে ধন্যবাদ জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী। সুবিধাভোগীরা কাঠ, টিনসহ অন্যান্য মালামাল ভাল দেয়ায় কাজের প্রতিও তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে প্রতিটি ওয়ার্ডে ২টি করে ৯ ওয়ার্ডে সরকারিভাবে মোট ১৮টি ঘর এবং ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন খান শামীমের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৮টি সহ মোট ২৬টি ঘর নির্মাণ করে সুবিধাভোগীদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে যাদের জমি আছে ঘর নেই, তাদের তালিকা করে আওয়ামী লীগ সরকারের এ প্রকল্পের কাজগুলো শুরু করে দ্রুতগতিতে নির্মাণ কাজ শেষ করে ঘর বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
বিষ্ণুপুরে ইউনিয়নের জমি আছে ঘর নেই সুবিধাভোগী লিটন গাজী ও জোহরা বেগমসহ একাধিক জনের সাথে কথা বললে তারা জানান, বর্তমান সরকার ও চাঁদপুরের কৃতীসন্তান ডা. দীপু মনি এমপির কাছে আমরা চিরদিন ঋণী থাকবো। কারণ দীর্ঘদিন আমাদের আবাসনের জন্য মানবিক জীবন-যাপন করতে হয়েছে। সে মানবিক জীবন-যাপন শেখ হাসিনা সরকার দূর করেছে। বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান সঠিক নিয়মে কাজ করেছেন। প্রতিটি ঘরেই বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান সরকারের বরাদ্দের বেশি টাকা খরচ করে সরকারি মাপের চেয়ে দ্বিগুণ বড় করে তৈরি করে দেয়া হয়েছে। এজন্য আমরা চেয়ারম্যানের কাছেও ঋণী থাকবো আজীবন।
বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাছির উদ্দিন খান শামীম বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কেন্দ্রিয় কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, চাঁদপুর হাইমচর-৩ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের রুপকার ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপির সহযোগিতায় এবং তাঁর একান্ত আন্তরিকতায় বিষ্ণুপুরের গরিব অসহায়দের তালিকা করে তাদের ঘর দেয়া হয়েছে। বিষ্ণুপুরে জমি আছে ঘর নাই, প্রকল্পটি সঠিক নিয়মে করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ত্রাণ কর্মকর্তা সব সময় কাজের মনিটরিং করছে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের গৃহহীনদের পূনর্বাসনের জন্য জমি আছে ঘর নেই চালু করেছে, সে প্রকল্পের কাজ বিষ্ণুপুরে সঠিক নিয়মে কাজ শেষ হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ঘরের মাপ সাড়ে ১০ ফুট/ ১৬ফুট। সেই মাপে ঘর নির্মাণ করলে সেই ঘরে একটি পরিবারের বসবাস করতে কষ্ট হবে। সেই কথা চিন্তা করে ২১ ফুট/ ৩২ফুট ঘর নির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। ইউনিয়নের মানুষ আমাকে তাদের সেবার করার জন্য নির্বাচিত করেছেন। তাই তাদের ভোটের সঠিক মূল্য দিতে সেবার মন-মানসিকতা নিয়ে কাজ করছি। সবসময় মানুষের কল্যাণ কিভাবে করা যায় সেভাবে প্রতিনিয়ত কাজ করছি।
চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা বলেন বলেন, বাংলাদেশে এখনো অনেকের জমি আছে কিন্তু তাদের ঘর নেই, তাদের সনাক্ত করে পূনর্বাসনের জন্য বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে। বিষ্ণুপুরে ইতোমধ্যে অনেকগুলো ঘর অনেক সুন্দর করে চেয়ারম্যান নির্মাণ শেষ করেছেন। নির্মাণকৃত ঘরগুলো সঠিক নিয়মে হয়েছে। এখানে কোন প্রকার অনিয়ম হয়নি। চেয়ারম্যান যেভাবে আন্তরিকতার সাথে ঘরগুলো নির্মাণ করছে, তা সত্যি প্রশংসনীয়।
