ভোলার শশীভূষণের সাব-রেজিষ্টারী অফিসের ভবনের নিচ তলা রাতের আধাঁরে দখল

ভোরের চোখ,ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার সদরে অবস্থিত শশীভূষণ সাব-রেজিষ্টারী অফিস ভবনের নিচ তালাটি ক্ষমতার দাপটে রাতের আঁধারে দখল করে নিয়েছে শশীভূষন দলীল লেখক সমিতির নামে জামাল বাহিনী। এঘটনায় শশীভূষণ সাব-রেজিষ্টারী অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতংকে বিরাজ করছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সাব-রেজিষ্টারী অফিসে ভবনের নিচ তলাটি শশীভূষণ দলীল লেখক সমিতি নামে সাইবোর্ড টানিয়ে জামাল হোসেনের নেতৃত্বে রাতের আঁধারে গ্রীল লাগিয়ে চেয়ার টেবিল বসিয়ে দখল করে নেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। শশীভূষণ সাব-রেজিষ্টারী অফিস কর্তৃপক্ষ একাধিকভার তাদেরকে দখল থেকে সরে যাওয়ার কথা বললেও তারা ক্ষমতার দাপটে কর্ণপাত করছেনা।

শশীভূষন সাব-রেজিষ্টারী অফিস সূত্রে জানা যায়, আমরা আতংকের মধ্যে রয়েছি। সরকারি সম্পত্তি (ভবন) দখলের বিষয়টি সম্পূর্ণ অবৈধ হলেও দলীল লেখক সমিতি এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। কোন সময় আমাদের অফিস দখল হয়ে যায় তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছি। আমরা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।

শশীভূষণ সাব-রেজিষ্টার কাজী রুহুল আমীন বলেন, গত ১৪ আগস্টা তারা রাতের আঁধারে গ্রীল লাগিয়ে ভবনের নিচ তালাটি দখল করে নেয়। তাদেরকে একাধিকবার বলেছি তারা আমার কথা শুনেনি। বিষয়টি ডিআরওকে অবহিত করা হয়েছে।এ ব্যপারে ডিআরও জাহাঙ্গীর আলম জানান, তাদের বসার কোন অনুমতি দেয়া হয়নি। গ্রীল খুলে ফেলে অফিসের পিছনে জায়গা রয়েছে সেখানে ঘর উত্তোলন করে বসার জন্যে বলা হয়েছে। এবং তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে।

শশীভূষন দলিল লেখক সমিতির সভাপতি জামাল হোসেন বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক সমস্যার জন্য নিয়ম মোতাবেক অফিসের ভিতরে বসেছি। ডিআরও স্যারে লাগানো গ্রীল খুলে ফেলতে বলেছে। আমরা একটি ভাল জায়গা পেলে সেখানে যাব।