মতলব উত্তরে করোনা লকডাউনে কামারপাড়ায় নীরবতা

মনিরুল ইসলাম মনির
লকডাউনে বেকার হয়ে পড়েছে কামাররা। মতলব উত্তর উপজেলার কামারপাড়ায় এখন চলছে সুনসান নীরবতা। অন্যান্য বছর এ সময়ে কামাররা থাকতো কর্মব্যস্ত। ঠিক এ সময়ে সরকারের দেয়া ৭ দিনের লকডাউনে লোকজন বাজারে তেমন আসছে না, তাই কামারপাড়ায়ও নেই ক্রেতা। আগামি ২১ জুলাই ঈদুল আজহা, এ ঈদে কোরবানি দিতে দা, বটি, ছুরিসহ বিভিন্ন ধারালো যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। উপজেলায় শতাধিক কামার দোকান রয়েছে।
গত সোমবার সকালে উপজেলার ছেংগারচর বাজারের কামারপাড়ায় গিয়ে দেখা যায়, কামাররা বেকার সময় পার করছেন। দু’একজন আসছেন ঘাস কাটার কাঁচি মেরামত ও ধাঁরালো করতে।
বিষ্ণু কর্মকার নামের এক কামার জানান, করোনা ও লকডাউনে আমাদের দোকানে লোকজন আসে না। সারাদিনে ২শ’ টাকাও বেচাকিনি হয় না।
বিপ্লব কর্মকার জানান, বছরের এ সময় কামারপাড়া থাকতো কর্মব্যস্ত। কিন্তু লকডাউনে ক্রেতা নেই। কাজও নেই। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি।
দীনেশ কর্মকার ও সুমন কর্মকারও বলেন, করোনার কারণে মানুষ কর্মহীন ও লকডাউনের কারণে বাজারে লোকজন আসতে পারছে না। তাই আমাদের কাজকর্ম নেই।
ছেংগারচর পৌর বাজার বণিক সমবায় সমিতির সভাপতি হাজি মনির হোসেন বেপারী জানান, ছেংগারচর বাজারে অন্তত ১২ থেকে ১৫টি কামার দোকান রয়েছে। ওরা সারা বছর কোরবানির ঈদের অপেক্ষায় থাকে। এ ঈদেই তাদের বেচা-বিক্রি বেশি হয়। কিন্ত এ বছর করোনা ও লকডাউনে দোকানে নেই কোন ক্রেতা। তারা অর্থাভাবে রয়েছে।

০৭ জুলাই, ২০২১।