মতলব উত্তরে দুর্গা পূজামন্ডপ পরিদর্শনে ডিসি ও এসপি

মনিরুল ইসলাম মনির
মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের চরপাথালিয়া অতুল বেপারী বাড়ি দুর্গা পূজামন্ডপ ও দুর্গাপুর ধীরেন্দ্র মাস্টার বাড়ি দুর্গা পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এসময় পূজার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এই দুই কর্মকর্তা। শনিবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ডিসি ও এসপি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা আবু নঈম পাটোয়ারী দুলাল, চাঁদপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রোটা. সুভাষ চন্দ্র রায়, সাধারণ সম্পাদক রোটা. তমাল ঘোষ, চাঁদপুর জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিনয় ভূষণ মজুমদার, মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মহিউদ্দিন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আল এমরান খান, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অজিত কুমার ঝন্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল বাড়ৈ, অতুল বেপারী বাড়ি দুর্গা পূজামন্ডপ কমিটির সভাপতি প্রগতি মল্লিক, ধীরেন্দ্র মাস্টার বাড়ি দুর্গা পূজামন্ডপ কমিটির সভাপতি পঙ্কজসহ কর্মকর্তা ও হিন্দু স¤প্রদায়ের লোকজন। পরিচালনা করেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শ্যামল চন্দ্র দাস।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান বলেন, এই যে দুর্গাপূজা উৎসব এটি একটি সার্বজনীন উৎসব। বাংলাদেশ হচ্ছে একটি অসা¤প্রদায়িক বাংলাদেশ এই অসা¤প্রদায়িক বাংলাদেশ হচ্ছে সেই বাংলাদেশ যেখানে মুসলিমরা নামাজ পড়বে, হিন্দুরা তাদের মন্দিরে পূজা করবে, খ্রিস্টানরা গির্জায় গিয়ে প্রার্থনা করবে। যার যার ধর্ম সে সে সর্বোচ্চ মাত্রায় পালন করবেন। কিন্তু কেউ কাউকে বাঁধা দিবেন না। কিন্তু এর মধ্যে আবার অনেক সময় সমস্যায় পড়ে যাই কিছু দুষ্টু লোকজন আমাদের ঝামেলায় ফেলে দেয়। তাদের শক্ত হাতে দমন করতে হবে। তাদের রোধ করতে হবে। এজন্য আমরা ও আমাদের নেতৃবৃন্দ আছি আপনাদের সাথে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে পূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিয়েছি। আমাদের যে কয়টি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মুহূর্তে দিয়ে থাকি তার মধ্যে দুর্গাপূজা একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট। আমরা জেলা পুলিশের গত পরশুদিন ব্রিফিং অনুষ্ঠানটি করেছিলাম। সেখানে যারা সনাতন ধর্মীয় পুলিশ ছুটি চেয়েছে তাদের সবার ছুটি মঞ্জুর করেছি এবং সব মুসলিম পুলিশ সদস্যদের ছুটি বাতিল করেছি। তারা কিন্তু এই ত্যাগ স্বীকারটি করেছেন পুরো জেলার সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আমরা এ বছর প্রতিটি মন্দিরে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছি। পুরো জেলায় প্রতিটি মন্দিরে আমরা পুলিশ মোতায়েন করেছি।

২২ অক্টোবর, ২০২৩।