মতলব দক্ষিণের গৃহবধূর সন্ধান মিলেনি

১২ দিন ধরে নিখোঁজ হওয়া

মাহ্ফুজ মল্লিক
মতলব দক্ষিণ উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার ১২ দিনেও সন্ধান মেলেনি এক গৃহবধূর (২১)। গত ৩১ অক্টোবর সকালে উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে স্বামীর বাড়ি থেকে ওই গৃহবধূ নিখোঁজ হন। এ ব্যাপারে বুধবার রাতে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন গৃহবধূটির পরিবার।
গৃহবধূর নাম সুইটি আক্তার। তাঁর স্বামীর নাম মিজান প্রধানীয়া। তিনি জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার বেহেরিপুর গ্রামের মো. হুমায়ুন কবির খানের ছোট মেয়ে। ৩ বছর আগে মতলব দক্ষিণ উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের মিজান প্রধানীয়ার সঙ্গে সুইটির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তিনি স্বামীর বাড়িতেই বসবাস করছেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাউকে কোনো কিছু না জানিয়ে গত ৩১ অক্টোবর সকালে ওই গৃহবধূ তাঁর স্বামীর বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফেরেননি। এরপর স্বামীর বাড়ির লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়েও তাঁর সন্ধান পাননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর গৃহবধূটির স্বামীর পরিবারের লোকেরা বিষয়টি গৃহবধূর পিতা-মাতাকে জানান। পরে পিতা-মাতাও অনেক জায়গায় খোঁজ করে তার সন্ধান পাননি।
গৃহবধূর বাবা মো. হুমায়ুন কবির খান অভিযোগ করেন, থানায় নিখোঁজের জিডি করার পর থেকে তার মেয়ের শ্বশুর বাড়ির লোকজন নানাভাবে তাদের হুমকি দিচ্ছেন। মেয়ের ব্যাপারেও তারা বিভিন্ন অসংলগ্ন ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য দিচ্ছেন। এমনকি তার মেয়ের খোঁজে আন্তরিকভাবে চেষ্টাও চালাচ্ছেন না তারা। এতে বিষয়টি নিয়ে নানা রকম সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। নিখোঁজের ৮ দিন পরও মেয়ের সন্ধান না পেয়ে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা চিন্তিত ও হতাশ। গৃহবধূর স্বামী মিজান প্রধানীয়ার মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়। তার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
মতলব দক্ষিণ থানার ওসি স্বপন কুমার আইচ বলেন, গত বুধবার রাতে ওই গৃহবধূর বড় বোন তার থানায় এ ব্যাপারে একটি জিডি করেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।