যানজটে নাকাল কচুয়ার সাচারবাজার

এম. সাইফুল মিজান
কচুয়া-গৌরিপুর ভায়া সাচার সড়কে যানজটে নাকাল হয়ে পড়েছে জনজীবন। সাচারবাজার অংশে প্রতিনিয়ত যানজট সৃষ্টি হওয়ার কারণে যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। যানবাহন চলাচলের দিক থেকে এ সড়ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ সড়ক ধরে প্রতিদিন লক্ষ্মীপুর, হাজীগঞ্জ ও কচুয়ার জনসাধারণ বাসসহ বিভিন্ন যানবাহনে ঢাকা যাতায়াত করে থাকে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিভিন্ন কারণে বড় রকমের যানজট সৃষ্টি হয়। এ যানজটের কারণে অনেক সময় নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও চাটখিলের বাস বিকল্প হিসেবে কচুয়া-গৌরিপুর সড়ক ধরে ঢাকা আসা-যাওয়া করে। কিন্তু সাচার বাজার অংশে সৃষ্ট যানজটের কারণে যাত্রীবাহী বাস চলাচল ঘণ্টার পর ঘণ্টা বন্ধ থাকে। এতে যাত্রী সাধারণকে পোহাতে হয় চরম দুর্ভোগ।
অভিযোগ রয়েছে, সাচারবাজার অংশে যানজট সৃষ্টির প্রধান কারণ এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। তারা কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে সড়কের উপর (দুই অংশে) বিভিন্ন ফল-ফলাদি ও কাপড়ের দোকান স্থাপন করে রমরমা ব্যবসা ও যত্রতত্র অটোরিকশা ও সিএনজির স্ট্যান্ড বসিয়ে যানজট সৃষ্টি করে আসছে। এছাড়া সিএনজি ও অটোরিকশা রাখার স্থান হিসেবেও এ সড়ক ব্যবহার করছে। এসব দোকানপাট উচ্ছেদ করে সড়ক উন্মুক্ত করে যানজট দূর করার জন্য মাঝে মাঝে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। কিন্তু এলাকার কিছু প্রভাবশালী লোক এগিয়ে এসে দোকানপাট সরিয়ে নিতে কিছু সময় মঞ্জুরের জন্য তদবির শুরু করে দেয়। এমনি অবস্থায় প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২/৪ দিনের সময় মঞ্জুর করলেও ওই অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী লোকদের আশ্রয়-প্রশ্রয় ও সহযোগিতায় দোকানপাট সরিয়ে না নিয়ে পূর্ববৎ ব্যবসা চালিয়ে যায়। বিনিময়ে প্রভাবশালীরা ওই ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা হাতিয়ে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, প্রতিশ্রুতি দিয়েও দোকানপাট সরিয়ে নেয়নি অসাধু ব্যবসায়ীরা। এ বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় আলোচনা করে পরবর্তী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হবে।

১২ মার্চ, ২০২৩।