স্টাফ রিপোর্টার
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ১ জুলাই থেকে সারাদেশে একযোগে পালন করা হচ্ছে কঠোর লকডাউন। সারাদেশের মতো চাঁদপুরেও চলছে সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন। চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নে সর্বাত্মক কঠোর লকডাউন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. সেলিম খান ব্যক্তিগত উদ্যোগে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন।
বুধবার (৭ জুলাই) লকডাউনের সপ্তমদিন সরেজমিনে লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন ঘুরে দেখা যায়, গ্রাম পুলিশ সদস্যরা কয়েকটি গ্রুপে ভাগ হয়ে, বহরিয়া বাজার, লক্ষ্মীপুর বাজার, কমলাপুর বাজার, বেপারী বাজার, জনতা বাজার, রঘুনাথপুর চৌরাস্তা ও দোকানঘর চৌরাস্তাসহ বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় টহল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তাদের পাশাপাশি ইউনিয়নের একাধিক স্বেচ্ছাসেবক টিম মাঠে টহল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
এছাড়া চেয়ারম্যান মো. সেলিম খানের দিক-নির্দেশনায় ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যরা তাদের স্ব-স্ব ওয়ার্ডে সরকার ঘোষিত যেসব নির্দেশনা দেয়া আছে, সেসব নির্দেশনা সাধারণ জনগণ মেনে চলছে কি না তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
বেশ ক’টি বাজারের একাধিক দোকানীর সাথে কথা হলে তারা জানান, আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সেলিম খানের কঠোর নির্দেশ, লকডাউন চলাকালীন সরকার ঘোষিত যেসকল নিয়ম-কানুনের কথা বলা হয়েছে তা যথাযথভাবে পালন করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। যেসব দোকানী সরকারের বিধি-নিষেধ অমান্য করার চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। চেয়ারম্যানের দিক-নির্দেশনা এবং সরকারের নিয়ম-কানুনগুলো যথাযথভাবে পালন করে আমরা ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছি।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর মডেল ইউপি চেয়ারম্যান মো. সেলিম খানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, চাঁদপুর সদর উপজেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী। এটি মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। আমি আমার ইউনিয়নবাসীকে পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছি, বিনা প্রয়োজনে কেউ বাড়ি থেকে বের হবেন না। অহেতুক বাজারে ঘোরাফেরা করবেন না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকুন এবং আপনাদের পরিবারের সদস্যদের সুরক্ষিত রাখুন।
তিনি আরো জানান, কঠোর লকডাউন যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে সরকার যেসব বিধি-নিষেধ ঘোষণা করেছে, আমার ইউনিয়নে তা বাস্তবায়নে করতে আমার পরিষদের সব ইউপি সদস্য, গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকদের দিক-নির্দেশনা দিয়েছি। তারা লকডাউনের প্রথমদিন থেকে মাঠে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, যতদিন লকডাউন থাকবে, ততদিন পর্যন্ত আমার ইউনিয়নে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
অপরদিকে চেয়ারম্যান মো. সেলিম খানের নির্দেশে ইউনিয়নে সর্বাত্মক কঠোর লকডাউনে ইউনিয়নবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে মাস্ক ব্যবহার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে ইউনিয়নের সব ওয়ার্ডে মাইকিং কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
০৮ জুলাই, ২০২১।
