সাদুল্লাপুর আ.লীগের প্রয়াত সভাপতির রুহের মাগফিরাতে দোয়া ও মেজবান

আ.লীগের নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন শাহজাহান সরকার
………মো. মিজানুর রহমান

মনিরুল ইসলাম মনির
‘নিবেদিত প্রাণ’ কর্মীরাই আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রেখেছেন বলে মন্তব্য করেছেন মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান (এসি মিজান)। তিনি মতলব উত্তর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি মো. শাহজাহান সরকারকে স্মরণ করে বলেন, বারবার আওয়ামী লীগের ওপর আঘাত এসেছে। কিন্তু নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরা এই দলকে টিকিয়ে রেখেছেন। তাই তাদের আদর্শে নেতা-কর্মীদের সবকিছু উজাড় করে রাজনীতি করা শিখতে হবে।
রোববার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে মতলব উত্তর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রয়াত সভাপতি মো. শাহজাহান সরকারের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মেজবান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পরিবার। এ সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান (এসি মিজান) নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি এসময় বলেন, মতলব উত্তর উপজেলার আওয়ামী লীগের যেসব কীর্তিমান সন্তানকে নিয়ে গর্ব করতে পারে, তাদের মধ্যে মো. শাহজাহান সরকার একজন। মানুষটি জীবনের প্রতিটি কাজে রেখেছেন অসাধারণ অবদান। জীবনের প্রথম দিক থেকেই তিনি রাজপথের লড়াকু সৈনিক হিসাবে কাজ শুরু করেন।
ছাত্রজীবনেই তিনি দেশমাতৃকার স্বাধীনতার জন্য রাজপথের সংগ্রামে নিজকে নিয়োজিত করেন। কর্মগুণে খুব সহজেই তিনি নিজ এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রিয়জন হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন। সাদুল্লাপুর ইউনিয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন সাহসী কর্মী হিসাবে তার রাজনীতিতে আগমন।
শুরু থেকেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ তার জন্য পাথেয় হিসাবে কাজ করেছে। ছোটবেলা থেকেই নিজ এলাকায় অসহায়, গরিব ও দুঃখী মানুষের জন্য কাজ করে ভালোবাসা অর্জন করেন। রাজনীতিতে আত্মনিয়োগ করার পর নিজ ইউনিয়নের জনগণ তাকে অন্তরে ঠাঁই দিয়ে আন্তরিকভাবে মূল্যায়ন করেছেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি সামাজিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেন ছাত্রজীবন থেকেই।
তিনি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকার বাস্তবায়নে ছিলেন সোচ্চার। নিজ এলাকার বঞ্চিত, অবহেলিত, শোষিত মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করেছেন। ওদের সুখ-দুঃখের খবরাখবর রাখতেন। ফলে খেটে খাওয়া মানুষই হয়ে ওঠে তার পরম শক্তি, দেয় এগিয়ে চলার সাহস।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।