হাইমচর ব্যুরো
হাইমচর উপজেলার কেন্দ্রীয় জগন্নাথ মন্দিরের গাছ জোরপূর্বক বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। পশ্চিমচর কৃষ্ণপুর গ্রামের মৃত অম্বিকা মজুমদারের ছেলে অজয় কুমার মজুমদার এ গাছ বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে হাইমচর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন গিনেষ দেওয়ান ও অনিল কৃষ্ণ মাঝি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অজয় কুমার মজুমদার প্রকাশ্য দিবালোকে মন্দিরের ভিতরে থাকা গাছটি বিক্রি করে দেন। অজয় কুমারের অত্যাচারে হিন্দু ভক্তবৃন্দ ঠিকমতো মন্দিরে পূজা-অর্চনা করতে পারছে না। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলে তিনি বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদর্শন করে থাকেন এবং মামলায় জড়ান। তার খুঁটির জোর কোথায় সাধারণ ভক্তরা জানেন না। এ অবস্থা চলতে থাকলে মন্দিরের সব সম্পত্তি বেদখল হয়ে যাবে।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মন্দিরের ভিতরে থাকা জাম ফলের গাছটি কেটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মন্দির কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অজয় কুমার এ মন্দিরের গাছটি স্থানীয় অর্জুন সুতারের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। অর্জুন সুতার গাছটি কেটে তার বাড়িতে নিয়ে গেছে। অর্জন সুতারের বাড়িতে মন্দির থেকে কেটে নিয়ে যাওয়া গাছ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
অর্জুন সুতারের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি গাছ কিনেছি। তাই গাছ কেটে বাড়িতে নিয়ে এসেছি। মন্দিরের গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে ভক্তবৃন্দের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করতে দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে গিনেষ দেওয়ান জানান, মন্দিরের কমিটিতে থাকাকালীন সময়ে অজয় কুমার মজুমদার মন্দিরের সম্পদ লুটে খেয়েছেন। তিনি আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়েছেন। ভক্তবৃন্দের আন্দোলনে তাদের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। তিনি আগের মতো লোভ সামলাতে না পেরে মন্দিরের ফলকৃত গাছটি বিক্রি করে দেয়। এ মন্দিরের গাছের ফলেই পূজা অর্চনা করা হতো। গাছটি কেটে নিয়ে যাওয়ায় একদিকে পূজার যেমন ব্যাঘাত ঘটছে তেমনি মন্দিরের অর্থ লোপাট হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং দোষীকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
