
আহসান হাবীব সুমন
প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন অনুষ্ঠানে যেসব কর্মকর্তা দরকার, তার সবই আছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত আছে পুলিশ সদস্যরা। আসলে তারা কেউ কর্মকর্তা নয়, সবাই শিক্ষার্থী। লম্বা লাইনে শত শত ভোটার (শিক্ষার্থী) দাঁড়িয়ে আছে সুশৃঙ্খলভাবে। সবাই নিয়ম মেনে ভোট দিচ্ছে।
এমন উৎসবমুখর পরিবেশে চাঁদপুরের কচুয়ায় মাধ্যমিক স্কুল ও দাখিল মাদ্রাসায় ভোট উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরাই নির্বাচন কমিশন গঠন করে ভোট গ্রহণের মাধ্যমে তাদের স্টুডেন্ট কেবিনেটের নেতা নির্বাচন করেছে। কচুয়া উপজেলায় ৪২ টি মাধ্যমিক ও ৩৬টি দাখিল মাদ্রসার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রত্যক্ষ ভোটে মাধ্যমে স্টুডেন্ট কেবিনেটের ৮টি পদে ৬ শ’ ২৪ জন নেতা নির্বাচন করেছে।
গত শনিবার কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, উজানী হাজী আমির আলেকজান উচ্চ বিদ্যালয় ও কৈইলান তুলপাই উচ্চ বিদ্যালয়ে জাতীয় নির্বাচনের আদলে সকাল নয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়।
কচুয়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মো. কলিম উল্যাহর নির্দেশনায় ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থী সাকিল মাহমুদ শৈশবকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে স্টুডেন্ট কেবিনেটের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৮ পদে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ৬ শ’ ভোটার তাদের ভোট দিয়ে নেতা নির্বাচন করেছে।
কৈইলান তুলপাই উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বাবুলাল সরকারের নির্দেশনায় ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থী নুসরাত জাহানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে স্টুডেন্ট কেবিনেটের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৮ পদে ১৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। ৩ শ’ ৩০ জন ভোটার তাদের ভোট দিয়ে নেতা নির্বাচন করেছে।
উজানী হাজী আমির উদ্দিন আলেকজান উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নারগিছ সুলতানার নির্দেশনায় ১০ শ্রেণির শিক্ষার্থী তামিমকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে স্টুডেন্ট কেবিনেটের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৮টি পদে ১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ৫ শ’ ৪২ জন ভোটার তাদের ভোট দিয়ে নেতা নির্বাচন করে।
