১৭৯ নেতাকর্মীকে মামলা থেকে মুক্তি দিতে বিএনপি প্রার্থীর আহ্বান

হাজীগঞ্জে পুলিশের উপর হামলা

হাজীগঞ্জ ব্যুরো
আসন্ন হাজীগঞ্জ পৌরসভা সাধারণ নির্বাচন-২০২০ উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সাথে আচরণ বিধি এবং আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা করেছে জেলা প্রশাসন ও জেলা নির্বাচন অফিস। গত শুক্রবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে হাজীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মিলনাতয়নে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক বেগম অঞ্জনা খান মজলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ আব্দুল মান্নান খাঁন বাচ্চু।
সুষ্ঠ ও সুন্দর নির্বাচন আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা এদেশের সন্তান, আমিও এই দেশের সন্তান। আপনারা সব জানেন ও বুঝেন। ভোট হচ্ছে পবিত্র আমানত। যদি এই নির্বাচনে কারচুপি হয়, তাহলে আপনারা আল্লাহ্র কাছে ঠেকা থাকবেন। আমরাও আল্লাহ্র কাছে বিচার দিবো। কারণ, আমাদের মন্ত্রীও নেই, এমপিও নেই। আপনারা আমাদের মন্ত্রী, আপনারা এমপি, আপনারাই আমাদের সবকিছু।
এ সময় তিনি জেলা প্রশাসকসহ পুলিশ সুপারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সেদিন (১২ জানুয়ারি) পুলিশের উপর হামলা হয়েছে। এই দুঃখজনক ও অমানবিক ঘটনার কোন ভাষা নেই, যারা জড়িত তাদের শাস্তি হোক। সেদিন মিছিল করেছে ২৫/৩০ জনে, আর হামলা করেছে ৫/৬ জনে। অথচ আসামি করা হয়েছে ১০৯ জনকে। অজ্ঞাত রয়েছে ৬০/৭০ জন। যার ফলে আমার একটি কর্মীও মাঠে নেই।
পুলিশ সুপার মাহবুবুর রহমানের অনুরোধ জানিয়ে আলহাজ আব্দুল মান্নান খাঁন বাচ্চু আবারো বলেন, সেদিন মিছিল করেছে ২৫/৩০ জনে, আর হামলা করেছে ৫/৭ জন। কিন্তু আসামি ১০৯ জন এবং অজ্ঞাত রয়েছে ৬০/৭০ জন। আমরা হাইকোর্ট থেকে জামিন নিবো। আপনি নির্বাচন পর্যন্ত আমাদের লোককে যেন এরেস্ট না করেন। তা নাহলে, আমি কি দিয়ে নির্বাচন করবো, আমার একটি কর্মীও মাঠে নেই।
এ সময় তিনি নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র আ.স.ম মাহবুব-উল আলম লিপনের প্রতি ইঙ্গিত করে রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফায়েল হোসেনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, পৌর কর্মচারীদের দিয়ে ভোট চাইতে পারে? দেখা গেছে, ২০/২৫ জন পৌর কর্মচারী ভোট চাইছে- বলে তিনি রিটার্নিং অফিসারকে জানান।
১৭ জানুয়ারি, ২০২১।