চাঁদপুরকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য টিআইবি’র সহযোগিতা কামনা করছি -জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডল


প্রেস বিজ্ঞপ্তি :
‘দুর্জয় তারুণ্য, বিজয়ের চেতনায় দুর্নীতি রুখবেই’ এ শ্লোগান নিয়ে জেলা প্রশাসন, চাঁদপুর-এর আয়োজনে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ও দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক)-এর সহযোগিতায় গত শনিবার আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ২০১৭ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় মানববন্ধন, আলোচনা সভা ও প্রদর্শনী বিতর্ক। চাঁদপুর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডল। আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা আক্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সবুর মন্ডল বলেন, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসন ইতোমধ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। জেলা প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত রাখার জন্য আমরা জনগণের হয়রানী রোধে ডিজিটাল সেবা দিয়ে যাচ্ছি। জনসাধারণের সেবা আরও সহজ করার জন্য আমরা নাগরিক সনদ প্রণয়ন করেছি। ইতোমধ্যে আমরা জেনেছি ভূমি অফিস সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত। আমি সদর উপজেলা প্রশাসনকে দুর্নীতিমুক্ত ঘোষণা করার জন্য ইতোমধ্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে কথা বলেছি এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য নির্দেশনাও দিয়েছি।
তিনি বলেন, আমি টিআইবিকে অনুরোধ করবো চাঁদপুর সদর উপজেলা ভূমি অফিস নিয়ে কাজ করার জন্য। চাঁদপুরে ভূমি অফিসের উপর অটোমেশন চালু করে দুর্নীতি কমিয়ে এনেছি।
তিনি বলেন, চাঁদপুরকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য আমি কাজ করতে চাই। চাঁদপুরকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য আমার বেশ কিছু পরিকল্পনা আছে। টিআইবিকে অনুরোধ করবো চাঁদপুরকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য আমাদের সহযোগিতা করতে। চাঁদপুরকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য টিআইবি’র একটি গবেষণা টীম যদি আমাদের সহযোগিতা করে তাহলে আমি আমার পরিকল্পনা তাদের জানাবো। কোথায় কোথায় ঘাটতি আছে তাহলে আমরা তা নির্দিষ্ট করতে পারবো। জেলা প্রশাসন, দুদক ও টিআইবি যদি একত্রে কাজ করে তাহলে চাঁদপুরকে দুর্নীতিমুক্ত করা সম্ভব।
আলোচনা সভায় চাঁদপুরের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ, ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীবৃন্দ, স্বজন-ইয়েস ও ইয়েস ফেন্ডস গ্রুপের সদস্যবৃন্দ এবং টিআইবি কর্মীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।