কচুয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় গ্রাম পুলিশসহ একই পরিবারের ১২ জন আহত

গুরুতর আহত ৫ জন ঢাকা মেডিক্যালে চিকিৎসাধীন

নোমান হোসেন আখন্দ
কচুয়ার আশ্ররাফপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের জগৎপুর আখন্দ বাড়িতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রাম পুলিশসহ ১২ জনকে পিটিয়েছে দুবৃত্তরা। আহতরা শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে কচুয়া থানা পুলিশকে বার-বার জানানো হলেও ঘটনাস্থলে আসেনি পুলিশ। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সম্পত্তিগত বিরোধে জগৎপুর আখন্দ বাড়ির আ. হান্নান গং ও কবির হোসেন গংদের সহিত দীর্ঘদিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। গত ১৩ অক্টোবর বিকেলে পার্শ^বর্তী কবির হোসেন গংরা তাদের টয়লেটের ময়লা প্রতিপক্ষ হান্নান গংদের জায়গার মধ্যে ফেলে। এ নিয়ে হান্নান ও কবিরের মধ্যে কথা কাটা-কাটি ও হাতা-হাতি হয়। বিষয়টি কবির হোসেন বাড়িতে এসে তার ভাই আত্মীয়-স্বজনদের জানালে তারা এসএস পাইপের রড ও লাঠি-সোটা নিয়ে হান্নানদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়। কবির গংরা সন্ত্রাসী কায়দায় হান্নানদের ৫/৬টি বসত ঘর ব্যাপক ভাংচুর ও আসবাবপত্র মূল্যবান মালামাল নষ্ট করে ফেলে। তারা আশি উর্ধ্ব দু’জন নারী, প্রতিবন্ধী ১টি মেয়ে, ১টি ৬ মাসের শিশু, ২ জন গৃহবধূকে বেদম মারধর ও অমানবিক নির্যাতন চালায়।
হামলাকারী দুর্বৃত্তরা হচ্ছে- জগৎপুর গ্রামের মৃত বদিউজ্জামানের পুত্র আমানউল্ল্যাহ কালু (৩৫), কবির হোসেনের পুত্র আরিফ হোসেন (৩০), বদিউজ্জামানের পুত্র কবির হোসেন (৫০), মানিকের পুত্র মিলন (২৬), মানিকের পুত্র মেহেদী হাসান (২২), মৃত আবদুল লতিফের পুত্র আ. রশিদ (৫২), আ. রশিদের পুত্র জাকির হোসেন (১৮), মাসুদ আলম (২০) ও রাশেদ (২৫) সহ অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন।
দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহতরা হলেন- জগৎপুর আখন্দ বাড়ির জয়নাল আবেদীন (৫০), গ্রাম পুলিশ হান্নান (৩৫), সাহাবুদ্দিন (২৮), আরমান (১৪), সাব্বির আহম্মেদ (১৫), জেসমিন আক্তার (১৯), রেহানা আক্তার (৪২), হাছান (১২), রেহানা আক্তার (৩০) মোস্তফা কামাল (৪৪) ও খায়রুনন্নেছা (৮০) আহত হন। আহত হান্নান, সাহাবুদ্দিন, রেহানা, হাছান গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।