কচুয়া দুর্গাপুর সপ্রাবি’র সম্পত্তি বেদখল

কচুয়া ব্যুরো
কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের ১০৮নং দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্পত্তি দীর্ঘ অনেক বছর যাবত বেদখল হয়ে আছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির কারণে এ সম্পত্তি বেদখল ও বিদ্যালয়ের আরো কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে উল্লেখ করে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে।
গ্রামবাসীর পক্ষে ইউনুছ মিয়া অভিযোগে উল্লেখ করেন ২১নং বিতরা দুর্গাপুর মৌজার ১৩৫৩ বিএস খতিয়ানে সাবেক ১৪৫০ ও হালে ৩২০০ দাগে শ্রেণি স্কুল দেখিয়ে বিএস জরিপে ৩৫ শতাংশ বিদ্যালয়ের নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন ভূঁইয়ার শ্বশুর দুর্গপুর গ্রামের জিন্নত আলীর ছেলে নুরুল ইসলাম ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল চাঁদপুরে ১২১৪/২০১৮ মোকাদ্দমা করে। ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল, চাঁদপুরে প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন ভূঁইয়া হাজির না হলে আদালত ২০১৯ সালের ২ জুলাই একতরফা নুরুল ইসলাম ভূইয়ার নামে ১৫ শতক ভূমি নতুনভাবে বিএস রেকর্ড সংশোধনের রায় প্রদান করেন।
তাছাড়া বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন অভিভাবকদের মতামত না নিয়ে সম্প্রতি নিজের সুবিধামত বিদালয়ের পরিচালনা পর্ষদের কমিটি অনুমোদনের জন্যে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন। এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষক কবির ভূঁইয়ার সুবিধামত বিদ্যালয় পরিচালনা ও তার শ্বশুরের পক্ষে বিদ্যালয়ের নামে মামলা সম্পর্কিত ব্যাপারে তার যোগসাজশ আছে বলে দাবি করেন।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন ভূঁইয়া বিদ্যালয়ের সম্পত্তি বেদখলের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, সম্পত্তি নিয়ে ল্যান্ড সাভে ট্রাইব্যুনালে চাঁদপুরে মামলায় একতরফা রায় হয়েছে, আমরা তার বিরুদ্ধে আপিল করেছি। বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের জন্য অভিভাবকদের নিয়ে কোন সভা হয়েছে কি-না, তার সঠিক জবাব দিতে পারেনি তিনি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপায়ন দাস শুভ জানান, বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি সম্পত্তি রক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
এলাকাবাসী যথাযথ প্রক্রিয়ায় বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন ও বিদ্যালয়ের সম্পত্তি রক্ষায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
২ সেপ্টেম্বর, ২০২০।