মনিরুল ইসলাম মনির
গত ১০ বছরে শেখ হাসিনার নেতৃৃত্বে বাংলাদেশের যে দৃশ্যমান অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে তা স্বাধীনতার পরে কোন সরকার এত উন্নয়ন করতে পারেনি। তাই আগামি ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সব অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধি এবং সমর্থকদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে নৌকার সমর্থনে ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার কে পুনরায় নির্বাচিত করে দেশের উন্নয়ন সমৃদ্ধি করা ও মুক্তিযুদ্ধ চেতনায় দেশকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ) আসনের মহাজোট মনোনীত প্রার্থী আলহাজ অ্যাড. নুরুল আমিন রুহুল।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মতলব উত্তর উপজেলার সুলতানাবাদ ইউনিয়নের আমুয়াকান্দা গ্রামে বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম পাটোয়ারী খোকার মা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মরহুম সফিকুল ইসলাম পাটোয়ারীর কবর জিয়ারত শেষে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ, আর জননেত্রী শেখ হাসিনা মানে উন্নয়ন। বিজয়ের মাসে জনগণের ভোটে আবারও নৌকার বিজয় হবে। কারণ, বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ, আর জননেত্রী শেখ হাসিনা মানে উন্নয়ন। তাই উন্নয়ন, অগ্রগতি ও স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য জনগণের রায় আওয়ামী লীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে। উন্নয়ন ধারা অব্যাহত রাখতে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিকল্প নাই। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। একজন শেখ হাসিনার জন্ম হয়েছিল বলেই সব ক্ষেত্রে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। বর্তমান সময়ে দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল আওয়ামী লীগ ও জনপ্রিয় নেত্রীর নাম শেখ হাসিনা এবং জনপ্রিয় প্রতিকের নাম নৌকা। তাই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হবে।
নুরুল আমিন রুহুল আরো বলেন, নৌকায় ভোট দিলে শেখ হাসিনা এগিয়ে যায়। আর শেখ হাসিনা এগিয়ে গেলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায়। ষড়যন্ত্রকারীরা যতই ষড়যন্ত্র করুক, শেখ হাসিনার বিজয় ঠেকানো যাবে না। কারণ এদেশের মানুষ শেখ হাসিনাকেই আবারও ক্ষমতায় দেখতে চায়।
এ সময় উপস্থিধত ছিলেন মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ কুদ্দুস, বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম পাটোয়ারী খোকা, ছেংগারচর পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসান কাইয়ুম চৌধুরী, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান মো. জহির, আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম হান্নান, জহিরাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গাজী মো. মুক্তার হোসেনসহ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
