ফয়সাল আহমেদ
কচুয়া-সাচার-গৌরিপুর মহাসড়কের পাশে সাচার বাজারে জমজমাট বসেছে ভাসমান চারা বিক্রির হাট। রোপা-আমন মৌসুমকে সামনে রেখে কচুয়ায় বসেছে ঐতিহ্যবাহী ধানের চারার হাট। বিভিন্ন জাতের ধানের চারা নিয়ে কৃষক ও ব্যাপারিরা হাটে আসছেন। উৎপাদন খরচের চেয়ে কমে চারা কিনতে পারায় দূর-দূরান্ত থেকেও ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা চারা সংগ্রহ করতে সেই হাটে আসছেন।
স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে মতে, চলতি মৌসুমে কচুয়া উপজেলা ১২ হাজার ৬৭০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এ মৌসুমে উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে বীজতলা তৈরি হওয়ায় চারা নিয়ে সংকট হবে না। চলতি মৌসুমকে সামনে রেখে কচুয়ার বিভিন্ন বাজারে বসেছে ধানের চারার হাট। এ হাট চলে, সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। বীজতলা থেকে উৎপাদিত চারা আসছে হাটে। সেখান থেকে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা সংগ্রহ করছেন কাক্সিক্ষত চারা। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকেও অনেকে আসেন চারা বিক্রি করতে। প্রতি বছরের মত এবারও সাচার, পালাখাল ও রহিমানগর বাজারে ধানের চারার হাট জমে উঠেছে।
কৃষকরা জানান, জমিতে ধানের চারার বীজতলা সংকট পড়ায় স্থানীয় বাজার থেকে খুচরা মূল্যে চারা ক্রয় করা সম্ভব। বিশেষ করে ধানের চারা মূল্য বর্তমানে কিছু স্বল্প। এতে করে আমরা বেশিয়ান্ত চারা ক্রয় করে আমাদের জমিতে বোরা আবাদ করছি।
বিক্রেতারা জানান, বোরো আবাদের পর উড়তি চারা ধানের চারা গুলো বাজারে বিক্রি করি। প্রতি হাটে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে এসব চারা ক্রয় করতে ক্রেতারা আসছেন।
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
