২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের আটকের আল্টিমেটাম
কচুয়া ব্যুরো
কচুয়া ফ্রান্সে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (স.) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদ মিছিলে হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে প্রতিবাদ মিছিলে হামলার ঘটনার এজহারনামীয় ১নং বিবাদী উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের মাঝিগাছা গ্রামের মৃত লণী মিয়ার ছেলে হেলাল (৩৫) কে কচুয়া থানার এসআই আবু হানিফ গ্রেফতার করে।
হামলার ঘটনায় গতকাল বুধবার কচুয়া থানার অফিসার ইনচাজের্র কার্যালয়ে ওসি মো. মহিউদ্দিনের সাথে বৈঠক করে উপজেলার জামেয়া ইসলামিয়া ইব্রাহীমিয়া উজানী মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা মাহবুব ইলাহি ও কচুয়া জামেয়া ইসলামিয়া আহমদিয়া মাদ্রাসার মোহতামিম মাও. আবু হানিফা, কচুয়া কেন্দ্রিয় মসজিদের খতিব মাও. মাহবুবুর রহমান, নিশ্চিন্তপুর মাদ্রাসার হেড মুহাদ্দিছ নুরুজ্জামান, মনপুরা মাদ্রাসার মোহতামিম মাও. হাফেজ আহমেদ, দহুলিয়ার দরবার শরীফের পীর আবুল হাসান শাহ মুহাম্মদ রুহুল্লাহ শাজুলিসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার ওলামা কেরাম এজহারভূক্ত বাকি আসামিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এসময় কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আলমগীর তালুকদার, কচুয়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি জাকির হোসেন বাটা ও কচুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব সুমনসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার ওলামা কেরাম উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার উপজেলার শিলাস্থান, নিন্দপুর, টেলি, পিয়ারী খোলা গ্রামের ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের আয়োজনে হযরত মোহাম্মদ (স) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদ মিছিলটি শিলাস্থন থেকে মাঝিগাছা যাওয়ার সময় পিছনে থাকা সিএনজিকে সাইড দিতে দেরি হওয়ায় সিএনজি’র যাত্রীরা মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে মিছিলটি মাঝিগাছা ঈদগাহ’র কাছে আসলে সিএনজির যাত্রীরা মাঝিগাছা গ্রামের ১০/১৫জন উচ্ছৃঙ্খল যুবককে সাথে নিয়ে মিছিলকারীদের লাঠি সোটা দিয়ে এলোপাথারী মারধর করে। এসময় মিছিলে অংশগ্রহণকারী ১৫ জন আহত হয়।
এ ঘটনায় ওইদিন রাতে শিলাস্থন গ্রামের হামলার শিকার কাজী রানা বাদী হয়ে ৬ জনকে এজহারনামীয় ও অজ্ঞাত ১৫জনকে বিবাদী করে কচুয়ায় মামলা দায়ের করেন।
১২ নভেম্বর, ২০২০।
