কচুয়া ব্যুরো
কচুয়া উপজেলার কাদলা ১নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. সিদ্দিকুর রহমানকে মারধর করে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাতে উপজেলার দোঘর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, কচুয়া উপজেলার কাদলা ইউনিয়ন দোঘর গ্রামের অধিবাসী সাবেক দুইবার নির্বাচিত ইউপি সদস্য হাজি ছিদ্দিকুর রহমানকে একই গ্রামের অধিবাসী গিয়াস
উদ্দিনের ছেলে মো. পরাগ হোসেন কৌশল করে সিএনজিতে উঠিয়ে নেয়ার সময় পথিমধ্যে গুলবাহার বাজারে আসলে তার ডাক-চিৎকারে বাজারের মানুষে সিএনজিকে আটক করলে তারা দ্রুত পালিয়ে যায় বলে স্থানীয়রা জানান।
ইউপি সদস্য হাজি ছিদ্দিকুর রহমান জানান, পরাগ চৌধুরী আমার গ্রামের সম্পর্কে ছোট ভাই। তার সাথে কোনো বিরোধ নেই। গত শনিবার রাতে মো. পরাগ হোসেন ও নোয়াদ্দা গ্রামের অধিবাসী মো. জাহাঙ্গীর আলম আমাকে চৌমুহনী বাজার কথা বলে সিএনজিতে উঠান। চৌমুহনী বাজার না নিয়ে উল্টো কচুয়া বাজার নিয়ে চেষ্টা করলে আমি বাঁধা দিলে সে সিএনজিতে আমাকে মারধর করেন। আমি পথিমধ্যে গুলবাহার বাজারে আসলে ডাক চিৎকার করলে বাজারের মানুষে সিএনজিকে আটক করেন। তারা আমাকে ঠেলা দিয়ে ফেলে দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যান।
এ ব্যাপারে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হাজি ছিদ্দিকুর রহমানকে তুলে নিয়ে মারধর বিষয়টি আমার কোনো সম্পর্ক নেই। আমি দোঘর ঈদগাঁও সামনে দোকানে বসে চা খাই, সিএনজি থামিয়ে পরাগ হোসেন আমাকে ডাক দিয়ে গুলবাহার যাবে বলে আমাকে সিএনজিতে উঠান।
অভিযুক্ত পরাগ হোসেন বলেন, আমি হাজি ছিদ্দিকুর রহমানকে কোনো মারধর এবং তাকে তুলে নেয়ার কোন চেষ্টা করিনি।
২৯ ডিসেম্বর, ২০২০।
