চরম ভোগান্তি পৌরবাসীর, পৌর মেয়র বলছেন ভিন্ন কথা
ফয়সাল আহম্মেদ
কচুয়ার পৌরসভার অধিকাংশ সড়ক চলাচলের অনুপযোগী। পৌরসভাস্থ আওয়ামী লীগ অফিস থেকে বিশ^রোডস্থ টাওয়ার হাসপাতাল এবং আওয়ামী লীগ অফিস থেকে ফায়ার সার্ভিস পর্যন্ত সড়কের সবচেয়ে বেহাল দশা। তাছাড়া কচুয়া বাজারের চাল পট্টির গলির রাস্তাটিতেও জনসাধারণের চলাচলে চরম কষ্টের স্বীকার হতে হচ্ছে।
পৌরসভার আওয়ামী লীগ অফিস থেকে বিশ^রোডস্থ টাওয়ার হাসপাতাল এবং আওয়ামী লীগ অফিস থেকে পলাশপুর হয়ে ফায়ার সার্ভিস পর্যন্ত সড়ক কচুয়া বাজারে প্রবেশের দ্বারও বলা হয়। রাস্তার এমন বেহাল দশার কারণে বিপাকে পড়েছে বাজারের ব্যবসায়ী ও বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতারা। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগামী শিক্ষার্থীদের।
এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের অনেকদিন ধরে সংস্কার না হওয়ার কারণে সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড়-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। এসব গর্তে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে রিকশা ও গাড়ির চাকা পড়ে দুর্ঘটনা ঘটছে। এ ধরনের জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হলেও পৌর মেয়রসহ দায়িত্বশীলরা রাস্তা সংস্কারে কোন রকম ব্যবস্থাগ্রহণ করেননি বলে জানান স্থানীয় অনেকেই।
স্থানীয়রা আরো বলেন, প্রতি বছর পৌরসভার জন্য কোটি টাকার বাজেট ঘোষণার পরও পৌরসভার উন্নয়নের জন্য কয়েকটি ড্রেন ও একটি মুক্তি সরোবর এবং আংশিক রাস্তা সংস্কার ছাড়া কাজের কাজ কিছুই হয়নি। বরং আরও দুর্ভোগ বেড়েছে।
উল্লেখ্য, কচুয়া পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো ১৯৯৮ সালের ১০ মে। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত ১১.২১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই পৌরসভার মোট জনসংখা রয়েছে প্রায় ৪০ হাজার। এটি একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা। নতুন অর্থবছর (২০২২-২৩) প্রস্তাবিত রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটে আয় ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৫৭ লাখ ৩৯ হাজার ৫২ টাকা। ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। উদ্বৃত্ত দেখানো হয়েছে ২০ লাখ ৩৯ হাজার ৫২ টাকা।
এ বিষয়ে পৌর মেয়র মো. নাজমুল আলম স্বপন বলেন, যে ক’টি রাস্তার কথা আপনি বললেন তার মধ্যে একটি রাস্তা পৌরসভার অন্তর্ভূক্ত। বাকিগুলো পৌরসভার অন্তর্ভূক্ত নয়। এই রাস্তাগুলো বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ বিভাগের। কাজেই এগুলো দেখভালের দায়িত্ব সওজের, আমাদের নয়।
২৫ অক্টোবর, ২০২২।
