কলেজ শিক্ষক সুজন হত্যা
জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল
কুমিল্লায় কলেজ শিক্ষক জাহেদুল আলম সুজন হত্যা মামলায় ৬ আসামিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদ- প্রদান করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২ মে) দুপুরে কুমিল্লার ৫ম আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় প্রদান করেন।
এ মামলায় দুই আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে। দ-প্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ৩ জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং অপর ৩ জন পলাতক রয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ৮ অক্টোবর বিকালে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কুচাইতলী এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বেসরকারি একটি কলেজের শিক্ষক জাহেদুল আলম সুজনকে মারধর ও এলোপাথারি কুপিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষের লোকজন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের পিতা একেএম ফারুক আজম বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. নাসির উদ্দিন মৃধা ২০১১ সালের ২২ মে ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর এক আসামি মৃত্যুবরণ করেন। মামলায় ২১ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের বিচারক ৬ জনের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ঘোষণা করেন।
মামলায় অপর দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস প্রদান করে আদালত।
দ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নয়ন, কামাল, জামাল, মিঠুন, ইলিয়াছ ও জাকির। এর মধ্যে নয়ন, কামাল ও মিঠুন পলাতক রয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. জাকির হোসেন ও অতিরিক্ত পিপি মো. রফিকুল ইসলাম এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাড. মাসুদ সালাউদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. জাকির হোসেন বলেন, আদালতের রায়ে আমরা সন্তুষ্ট।
০৩ মে, ২০২৩।
